হাসি থামিয়ে শ্রীঘরে ‘ছোটে পণ্ডিত’! কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি সত্ত্বেও কেন ঋণের দায়ে জেলে রাজপাল?

বলিউডের পর্দায় যাঁর উপস্থিতি মানেই হাসির রোল, সেই জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদব এখন এক কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি। চেক বাউন্সের পুরনো মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ তিহাড় জেলে আত্মসমর্পণ করেছেন অভিনেতা। তাঁর এই কারাবাসের খবরের মাঝেই সবার মনে কৌতূহল জেগেছে—যিনি কোটি কোটি টাকার মালিক, তিনি কেন ঋণের দায়ে জেলে গেলেন?

তথ্য অনুযায়ী, রাজপাল যাদবের মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৫০ থেকে ৮৫ কোটি টাকার মধ্যে। রাজপাল প্রতিটি ছবির জন্য ১ থেকে ২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন। ‘ভুল ভুলাইয়া ২’-এর জন্য তিনি ১.২৫ কোটি এবং ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর জন্য প্রায় ২ কোটি টাকা নিয়েছিলেন। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে অডি এবং বিএমডাব্লিউ-এর মতো দামি গাড়ি এবং উত্তরপ্রদেশে তাঁর পৈতৃক জমিও রয়েছে। এত সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও ২০১০ সালে নিজের পরিচালিত সিনেমা ‘আতা পাতা লাপাতা’-র জন্য নেওয়া ৫ কোটি টাকার ঋণই তাঁর কাল হয়ে দাঁড়াল। সুদে-আসলে বর্তমানে সেই ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকায়।

এই বিপদের দিনে রাজপালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ এবং গুরমিত চৌধুরী। এমনকি মিউজিক প্রডিউসার রাও ইন্দ্রজিৎ সিং যাদব তাঁকে ১.১১ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য দিয়েছেন। জেল থেকে মুক্তির পর রাজপালের হাতে রয়েছে ‘ভূত বাংলা’ এবং ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এর মতো বড় প্রজেক্ট। তবে বর্তমানে ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হচ্ছে এই প্রতিভাবান অভিনেতাকে।