ক্রিকেট কূটনীতির আড়ালে ‘অপারেশন ঢাকা’! ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সঙ্গে ৫টি বড় চুক্তির ছক পাকিস্তানের

১৯৭১-এর ক্ষত ভুলে এবার বাংলাদেশের ‘বন্ধু’ সাজতে মরিয়া পাকিস্তান। ক্রিকেট মাঠকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ঢাকার অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে পাঁচটি বড় কৌশলগত চুক্তি সেরে ফেলতে চাইছে ইসলামাবাদ। লক্ষ্য একটাই— ভারতের প্রতিবেশী বলয়ে নিজের আধিপত্য বিস্তার করা এবং দিল্লির সঙ্গে ঢাকার দূরত্বকে কাজে লাগানো।
পাকিস্তানের ৫টি বড় টার্গেট: ১. যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক: করাচি-ঢাকা সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর পর এবার বাংলাদেশি পড়ুয়াদের স্কলারশিপ দিয়ে পাকিস্তানে টানতে চাইছে শাহবাজ সরকার। ২. চাল রপ্তানি: ভারতের চালের বাজারের দখল নিতে সম্প্রতি ৫০,০০০ টন চাল বাংলাদেশে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। লক্ষ্য— নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য ঢাকাকে ইসলামাবাদের ওপর নির্ভরশীল করা। ৩. গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান: ভারতের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্তের সুবিধা নিতে বাংলাদেশে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের আনুষ্ঠানিক মোতায়েন ও তথ্য ভাগাভাগির প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামাবাদ। ৪. অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণের সুযোগ নিয়ে চিনা প্রযুক্তিতে তৈরি জেএফ-১৭ (JF-17) যুদ্ধবিমান ঢাকার কাছে বিক্রি করতে চাইছে পাকিস্তান। ৫. করাচি বন্দর লিজ: বাণিজ্য সহজ করার টোপ দিয়ে করাচি বন্দর লিজ নেওয়ার জন্য ঢাকাকে অনুরোধ করেছে পাকিস্তান।
ক্রিকেট মাঠে নয়া চাল: আইসিসি-র দরবারেও এখন বাংলাদেশের হয়ে ‘ব্যাটিং’ করছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত ফি এবং ভবিষ্যতে আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের অধিকারের দাবিতে সরব পিসিবি। বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘সহানুভূতি’ আদায়ের মূল লক্ষ্য হলো ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা দেশটিতে শক্তিশালী ঘাঁটি গড়া।