ইন্দোরে নৃশংসতা! তিন সন্তানের জননীকে খুনের পর গোপনাঙ্গে অদ্ভুত ট্যাটু, শিউরে উঠল পুলিশ

মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের পরদেশীপুরা এলাকায় এক মহিলার ওপর নৃশংস অত্যাচার ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সুগনা দেবী ময়দানে রক্তাক্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ওই মহিলা হাসপাতালে লড়াইয়ের পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ মহিলার শরীরের গোপনাঙ্গের কাছে একটি অদ্ভুত ট্যাটু খুঁজে পেয়েছে, যেখানে লেখা ছিল— “ম্যায় নেশে মে হুঁ, দূর রহো” (আমি নেশায় আছি, দূরে থাকো)। এই ট্যাটুটিকেই তদন্তের প্রধান সূত্র হিসেবে দেখছে পুলিশ।
ঈর্ষা ও খুনের কারণ: পুলিশ ইতিমধ্যেই মুকেশ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। জেরায় মুকেশ স্বীকার করেছে যে, সে ওই মহিলার প্রেমিক ছিল। মুকেশের দাবি, মহিলাটি তার থেকে টাকা নিতেন কিন্তু অন্য পুরুষদের সঙ্গেও সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। এই তীব্র ঈর্ষা থেকেই শনিবার রাতে তাঁকে নির্জন ময়দানে নিয়ে গিয়ে যৌন হেনস্থা করার পর ভারী পাথর দিয়ে তাঁর মুখ থেঁতলে খুনের চেষ্টা করে মুকেশ।
পুলিশের বয়ান: ডিপিসি কুমার প্রতীক জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজে ওই মহিলাকে শেষবার মুকেশের সঙ্গেই ময়দানের দিকে যেতে দেখা গিয়েছিল। মৃত মহিলা তিন সন্তানের মা এবং তাঁর বিরুদ্ধেও আগে কিছু অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল। এলাকাটি নেশাখোরদের আড্ডা হওয়ায় এই ঘটনার পেছনে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।