সেলুনে বসেই খুনের ছক! প্রপার্টি ডিলার হত্যা রহস্যের রোমহর্ষক সমাধান, পুলিশের জালে মূল পাণ্ডা

হরিয়ানার হাঁসি এলাকায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি এক প্রপার্টি ডিলারকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনার কিনারা করল পুলিশ। মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত গুরমিত সিং-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পেশায় নাপিত গুরমিত এই খুনের মূল চক্রান্তকারী বলে জানা গেছে। রোতকের ভৈনি মহারাজপুর থেকে বৃহস্পতিবার তাকে পাকড়াও করে পুলিশ।

হাঁসির এসপি অমিত যশবর্ধন জানিয়েছেন, ৬৫ বছর বয়সী ওই ব্যবসায়ীর মৃতদেহে ধারালো অস্ত্রের ১৪টি আঘাত পাওয়া গিয়েছিল, যার বেশিরভাগই ছিল মাথায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি .৩১৫ বোর পিস্তল এবং আঙুলের ছাপ উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তের জন্য ৩ জন ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে ১৫টি বিশেষ দল গঠন করা হয়। তদন্ত চলাকালীন গুরমিতের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে ধাওয়া করে পুলিশ। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে স্থানীয় একটি ফ্লাইওভার থেকে ঝাঁপ দেয় সে, যার ফলে তার পায়ে চোট লাগে। বর্তমানে সে আগ্রোহা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন।

পুলিশি জেরায় উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। নিহিত ব্যবসায়ী গুরমিতের সেলুনের নিয়মিত গ্রাহক ছিলেন। তাঁর শরীরে থাকা সোনার আংটি, কড়া এবং চেইন দেখেই গুরমিতের মনে লোভ জাগে। বিলাসবহুল জীবন এবং ভ্রমণের টাকা জোগাড় করতে মধ্যপ্রদেশের ছত্রপুর থেকে আসা ৩ জন পরিযায়ী শ্রমিকের সঙ্গে মিলে এই লুঠ ও খুনের ছক কষে সে। গুরমিত নিজের বাইকটিও এই অপরাধের জন্য দিয়েছিল। এই দ্রুত সাফল্যের জন্য হরিয়ানার ডিজিপি অজয় সিঙ্ঘল হাঁসি পুলিশকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার এবং শংসাপত্র দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।