বাজেটে ১০০০ টাকা বৃদ্ধিতেও মিটল না মন! ফের রাজপথে হাজার হাজার আশাকর্মী, স্বাস্থ্যভবন অভিযানে ধুন্ধুমার

রাজ্য বাজেটে ভাতার পরিমাণ ১০০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করেও আশাকর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে পারল না সরকার। ভাতার এই সামান্য বৃদ্ধিতে ‘খুশি নন’ জানিয়ে শুক্রবার ফের শহর কলকাতার রাজপথে আছড়ে পড়ল আশাকর্মীদের বিশাল মিছিল। স্বাস্থ্যভবনের সামনে এদিন দশ দফা দাবি নিয়ে জমায়েত করেন পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের সদস্যরা। পুলিশের ব্যারিকেড ও বাধা টপকে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সল্টলেক এলাকায়।
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ঘোষিত বাজেটে আশাকর্মীদের জন্য ১০০০ টাকা ভাতা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই বৃদ্ধি যৎসামান্য। তাঁদের প্রধান দাবি— মাসিক ভাতা অবিলম্বে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করতে হবে। এদিন ১৭ জনের একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের ১০ দফা দাবি সম্বলিত ডেপুটেশন জমা দেন।
আশাকর্মীদের প্রধান দাবিগুলি একনজরে:
ভাতা বৃদ্ধি: মাসিক অন্তত ১৫ হাজার টাকা ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
কাজের নির্দিষ্ট সীমা: মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কোনো সরকারি কাজ (যেমন মেলা, খেলা বা ন্যাপকিন বিক্রি) করানো চলবে না।
বকেয়া মেটানো: জল পরীক্ষার বকেয়া টাকা এবং মোবাইল রিচার্জের নিয়মিত খরচ দিতে হবে।
ছুটি ও সুযোগ-সুবিধা: মেডিক্যাল লিভ এবং সরকার ঘোষিত সমস্ত ছুটি কার্যকর করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ইনসেনটিভ: কেন্দ্রের ঘোষিত ইনসেনটিভ দ্রুত ও এককালীন দিতে হবে, ভাগে ভাগে নয়।
বীমা ও পদোন্নতি: মৃত আশাকর্মীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা ইসমতারা খাতুন স্পষ্ট জানান, “মাতৃত্বকালীন ছুটি বা মৃত কর্মীর পরিবারকে সহায়তার ঘোষণায় আমরা খুশি, কিন্তু ১০০০ টাকা ভাতার বৃদ্ধিতে সংসার চলে না। আমাদের ন্যায্য পাওনা ও সম্মানের লড়াই চলবে।” শুক্রবারের এই আন্দোলনের জেরে সল্টলেক ও স্বাস্থ্যভবন চত্বরে দীর্ঘক্ষণ যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এখন দেখার, এই আন্দোলনের জেরে সরকার তাঁদের দাবি নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ করে কি না।রাজ্য বাজেটে ভাতার পরিমাণ ১০০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করেও আশাকর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে পারল না সরকার। ভাতার এই সামান্য বৃদ্ধিতে ‘খুশি নন’ জানিয়ে শুক্রবার ফের শহর কলকাতার রাজপথে আছড়ে পড়ল আশাকর্মীদের বিশাল মিছিল। স্বাস্থ্যভবনের সামনে এদিন দশ দফা দাবি নিয়ে জমায়েত করেন পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের সদস্যরা। পুলিশের ব্যারিকেড ও বাধা টপকে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সল্টলেক এলাকায়।
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ঘোষিত বাজেটে আশাকর্মীদের জন্য ১০০০ টাকা ভাতা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই বৃদ্ধি যৎসামান্য। তাঁদের প্রধান দাবি— মাসিক ভাতা অবিলম্বে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করতে হবে। এদিন ১৭ জনের একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের ১০ দফা দাবি সম্বলিত ডেপুটেশন জমা দেন।
আশাকর্মীদের প্রধান দাবিগুলি একনজরে:
ভাতা বৃদ্ধি: মাসিক অন্তত ১৫ হাজার টাকা ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
কাজের নির্দিষ্ট সীমা: মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কোনো সরকারি কাজ (যেমন মেলা, খেলা বা ন্যাপকিন বিক্রি) করানো চলবে না।
বকেয়া মেটানো: জল পরীক্ষার বকেয়া টাকা এবং মোবাইল রিচার্জের নিয়মিত খরচ দিতে হবে।
ছুটি ও সুযোগ-সুবিধা: মেডিক্যাল লিভ এবং সরকার ঘোষিত সমস্ত ছুটি কার্যকর করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ইনসেনটিভ: কেন্দ্রের ঘোষিত ইনসেনটিভ দ্রুত ও এককালীন দিতে হবে, ভাগে ভাগে নয়।
বীমা ও পদোন্নতি: মৃত আশাকর্মীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা ইসমতারা খাতুন স্পষ্ট জানান, “মাতৃত্বকালীন ছুটি বা মৃত কর্মীর পরিবারকে সহায়তার ঘোষণায় আমরা খুশি, কিন্তু ১০০০ টাকা ভাতার বৃদ্ধিতে সংসার চলে না। আমাদের ন্যায্য পাওনা ও সম্মানের লড়াই চলবে।” শুক্রবারের এই আন্দোলনের জেরে সল্টলেক ও স্বাস্থ্যভবন চত্বরে দীর্ঘক্ষণ যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এখন দেখার, এই আন্দোলনের জেরে সরকার তাঁদের দাবি নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ করে কি না।রাজ্য বাজেটে ভাতার পরিমাণ ১০০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করেও আশাকর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে পারল না সরকার। ভাতার এই সামান্য বৃদ্ধিতে ‘খুশি নন’ জানিয়ে শুক্রবার ফের শহর কলকাতার রাজপথে আছড়ে পড়ল আশাকর্মীদের বিশাল মিছিল। স্বাস্থ্যভবনের সামনে এদিন দশ দফা দাবি নিয়ে জমায়েত করেন পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের সদস্যরা। পুলিশের ব্যারিকেড ও বাধা টপকে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সল্টলেক এলাকায়।
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ঘোষিত বাজেটে আশাকর্মীদের জন্য ১০০০ টাকা ভাতা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই বৃদ্ধি যৎসামান্য। তাঁদের প্রধান দাবি— মাসিক ভাতা অবিলম্বে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করতে হবে। এদিন ১৭ জনের একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের ১০ দফা দাবি সম্বলিত ডেপুটেশন জমা দেন।
আশাকর্মীদের প্রধান দাবিগুলি একনজরে:
ভাতা বৃদ্ধি: মাসিক অন্তত ১৫ হাজার টাকা ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
কাজের নির্দিষ্ট সীমা: মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কোনো সরকারি কাজ (যেমন মেলা, খেলা বা ন্যাপকিন বিক্রি) করানো চলবে না।
বকেয়া মেটানো: জল পরীক্ষার বকেয়া টাকা এবং মোবাইল রিচার্জের নিয়মিত খরচ দিতে হবে।
ছুটি ও সুযোগ-সুবিধা: মেডিক্যাল লিভ এবং সরকার ঘোষিত সমস্ত ছুটি কার্যকর করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ইনসেনটিভ: কেন্দ্রের ঘোষিত ইনসেনটিভ দ্রুত ও এককালীন দিতে হবে, ভাগে ভাগে নয়।
বীমা ও পদোন্নতি: মৃত আশাকর্মীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা ইসমতারা খাতুন স্পষ্ট জানান, “মাতৃত্বকালীন ছুটি বা মৃত কর্মীর পরিবারকে সহায়তার ঘোষণায় আমরা খুশি, কিন্তু ১০০০ টাকা ভাতার বৃদ্ধিতে সংসার চলে না। আমাদের ন্যায্য পাওনা ও সম্মানের লড়াই চলবে।” শুক্রবারের এই আন্দোলনের জেরে সল্টলেক ও স্বাস্থ্যভবন চত্বরে দীর্ঘক্ষণ যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এখন দেখার, এই আন্দোলনের জেরে সরকার তাঁদের দাবি নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ করে কি না।রাজ্য বাজেটে ভাতার পরিমাণ ১০০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করেও আশাকর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে পারল না সরকার। ভাতার এই সামান্য বৃদ্ধিতে ‘খুশি নন’ জানিয়ে শুক্রবার ফের শহর কলকাতার রাজপথে আছড়ে পড়ল আশাকর্মীদের বিশাল মিছিল। স্বাস্থ্যভবনের সামনে এদিন দশ দফা দাবি নিয়ে জমায়েত করেন পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের সদস্যরা। পুলিশের ব্যারিকেড ও বাধা টপকে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সল্টলেক এলাকায়।
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ঘোষিত বাজেটে আশাকর্মীদের জন্য ১০০০ টাকা ভাতা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই বৃদ্ধি যৎসামান্য। তাঁদের প্রধান দাবি— মাসিক ভাতা অবিলম্বে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করতে হবে। এদিন ১৭ জনের একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের ১০ দফা দাবি সম্বলিত ডেপুটেশন জমা দেন।
আশাকর্মীদের প্রধান দাবিগুলি একনজরে:
ভাতা বৃদ্ধি: মাসিক অন্তত ১৫ হাজার টাকা ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
কাজের নির্দিষ্ট সীমা: মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কোনো সরকারি কাজ (যেমন মেলা, খেলা বা ন্যাপকিন বিক্রি) করানো চলবে না।
বকেয়া মেটানো: জল পরীক্ষার বকেয়া টাকা এবং মোবাইল রিচার্জের নিয়মিত খরচ দিতে হবে।
ছুটি ও সুযোগ-সুবিধা: মেডিক্যাল লিভ এবং সরকার ঘোষিত সমস্ত ছুটি কার্যকর করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ইনসেনটিভ: কেন্দ্রের ঘোষিত ইনসেনটিভ দ্রুত ও এককালীন দিতে হবে, ভাগে ভাগে নয়।
বীমা ও পদোন্নতি: মৃত আশাকর্মীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা ইসমতারা খাতুন স্পষ্ট জানান, “মাতৃত্বকালীন ছুটি বা মৃত কর্মীর পরিবারকে সহায়তার ঘোষণায় আমরা খুশি, কিন্তু ১০০০ টাকা ভাতার বৃদ্ধিতে সংসার চলে না। আমাদের ন্যায্য পাওনা ও সম্মানের লড়াই চলবে।” শুক্রবারের এই আন্দোলনের জেরে সল্টলেক ও স্বাস্থ্যভবন চত্বরে দীর্ঘক্ষণ যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এখন দেখার, এই আন্দোলনের জেরে সরকার তাঁদের দাবি নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ করে কি না।