কাঁপছে ইজরায়েল! মাত্র ১০ মিনিটে ধ্বংসের ক্ষমতা, ইরানের ‘খোররামশাহর-৪’ ক্ষেপণাস্ত্রে ঘুম উড়ল বিশ্বের

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এক লহমায় বদলে দিয়ে নিজেদের সামরিক শক্তির চরম আস্ফালন দেখাল ইরান। তেহরান দাবি করেছে, তাদের সবচেয়ে উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘খোররামশাহর-৪’ (Khorramshahr-4) এখন পুরোপুরি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) প্রথমবারের মতো তাদের একটি গোপন ভূগর্ভস্থ ‘মিসাইল সিটি’ থেকে এই ধ্বংসাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র দাবি অনুযায়ী, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মাত্র ১০ থেকে ১২ মিনিটের মধ্যে ইজরায়েলে পৌঁছে আঘাত হানতে সক্ষম। এর পাল্লা প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার এবং এর গতি অবিশ্বাস্য। বায়ুমণ্ডলের বাইরে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ম্যাক-১৬ (শব্দের চেয়ে ১৬ গুণ বেশি গতি) এবং বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর ম্যাক-৮ গতিতে ছুটতে পারে। এই আকাশছোঁয়া গতির কারণে শত্রুদেশের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ‘মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম’ সক্রিয় হওয়ার জন্য প্রায় কোনো সময় পাবে না।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, খোররামশাহর-৪ কেবল দ্রুতগামীই নয়, এটি অত্যন্ত শক্তিশালীও। এটি প্রায় ১,৫০০ কিলোগ্রাম ওজনের ভারী ওয়ারহেড বহন করতে পারে। এর লক্ষ্যভেদ করার নির্ভুলতা বা ‘অ্যাকিউরেসি’ ৩০ মিটারের মধ্যে, যা একে আরও মারাত্মক করে তুলেছে। রাডারকে ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতা এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের মোকাবিলা করার বিশেষ প্রযুক্তি একে আধুনিক সমরকৌশলে অনন্য করে তুলেছে। পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে ইরানের এই পদক্ষেপ আমেরিকা ও ইজরায়েলের প্রতি এক সরাসরি হুঁশিয়ারি বলেই মনে করা হচ্ছে।