সন্ত্রাসবাদ থেকে আর্থিক কেলেঙ্কারি! গ্রেপ্তার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ সিদ্দিকী

ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এবার দেশজুড়ে তোলপাড়। আর্থিক তছরুপ এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান তথা চ্যান্সেলর জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। আদালত অভিযুক্তকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। গোয়েন্দাদের দাবি, সিদ্দিকী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে একটি বিশাল অপরাধ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিলেন।

তদন্তকারী সংস্থাগুলির মতে, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে বিতর্কের শুরু গত বছর থেকে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লার কাছে যে গাড়ি বোমা হামলা হয়েছিল, তার নেপথ্যে ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক চিকিৎসকের মস্তিষ্ক। এরপর থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়াও এনএমসি (NMC) নিয়ম লঙ্ঘন করে জালিয়াতির মাধ্যমে মেডিকেল কলেজের অনুমোদন নেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে।

আর্থিক দুর্নীতির দিকটিও ভাবিয়ে তুলেছে ইডি-কে (ED)। অভিযোগ, জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী ট্রাস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য খাটিয়ে বিপুল অঙ্কের কালো টাকা সাদা করেছেন। ইডি ইতিমধ্যেই এই মামলায় প্রায় ৫৪ একর জমি এবং সেখানে নির্মিত কাঠামোসহ মোট ১৩৯.৯৭ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এখন রিমান্ডে সিদ্দিকীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই মডিউলের গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, জিজ্ঞাসাবাদের পর আরও অনেক বড় নাম এই ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়তে পারে।