চ্যাট জিপিটি-র সাহায্যে পুলিশের জালে ধর্ষক! ইন্দোরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা র্যাপিডো চালকের

মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরে এক চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে এক ১৭ বছরের নাবালিকা র্যাপিডো চালকের লালসার শিকার হয়েছে। তবে এই মামলার সবথেকে চমকপ্রদ দিক হলো, নির্যাতিতা সাহস হারাননি। তিনি অপরাধীর সন্ধানে এবং আইনি সাহায্য পেতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা চ্যাট জিপিটি (ChatGPT)-র সাহায্য নিয়েছেন। চ্যাট জিপিটি-র মাধ্যমেই তিনি মহিলা অপরাধ সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর খুঁজে বের করেন এবং পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
ঘটনার বিবরণ: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকাটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে রজওয়াড়া যাওয়ার জন্য একটি র্যাপিডো বাইক বুক করেছিল। অভিযুক্ত চালক অঙ্কিত নাগর তাকে গন্তব্যে না নিয়ে গিয়ে সস্তায় জামাকাপড় কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। এরপর সে নাবালিকাকে ফুসলিয়ে পরদেশীপুরা এলাকার একটি ঘরে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। রাত ৯টা নাগাদ একটি মন্দিরের পাশে তাকে ছেড়ে দিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্ত।
AI-এর সাহায্যে বিচার: নির্যাতিতা বাড়ি ফিরে পরিবারের কাউকে কিছু না জানালেও অত্যন্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দেন। তিনি চ্যাট জিপিটি-র মাধ্যমে পুলিশের নম্বর বের করে যোগাযোগ করেন। রাওজি বাজার পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্ত অঙ্কিত নাগরকে গ্রেফতার করেছে। অঙ্কিত মূলত রাজগড়ের বাসিন্দা এবং ইন্দোরে বিএ পড়ার পাশাপাশি হাতখরচ জোগাতে পার্ট-টাইম র্যাপিডো চালাত।
তদন্ত ও সতর্কতা: পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় নাবালিকাটি র্যাপিডো বুকিংয়ের স্ক্রিনশট নিয়ে রেখেছিল, যা অপরাধীকে শনাক্ত করতে সবথেকে বেশি সাহায্য করেছে। যদিও তদন্তকারী অফিসারেরা জানিয়েছেন যে নাবালিকার মোবাইল থেকে বুকিং হিস্ট্রি ডিলিট করা ছিল, তবুও তাঁর বয়ান ও টেকনিক্যাল তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তকে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে।