ইরানে মাঝরাতে ঢুকল আমেরিকার F-15! আকাশজুড়ে যুদ্ধের দামামা, ঘুম উড়ল খামেনেইয়ের

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী। জর্ডানে আমেরিকার শক্তিশালী F-15 ‘স্ট্রাইক ঈগল’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন হতেই ইরান ও মার্কিন সেনার মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গত বছর ইরানের ড্রোন ধ্বংস করার পর এই যুদ্ধবিমানের প্রত্যাবর্তন পেন্টাগনের বড়সড় কোনো সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। তবে তেহরানও হাত গুটিয়ে বসে নেই; সম্ভাব্য মার্কিন হামলা রুখতে ইরান গড়ে তুলেছে বিশ্বের অন্যতম দুর্ভেদ্য ‘এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক’।

রাশিয়ান S-400 ও পঞ্চস্তরীয় নিরাপত্তা ২০২৫ সালের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান নিজের আকাশসীমাকে পাঁচটি স্তরে সুরক্ষিত করেছে। এই প্রতিরক্ষা ব্যুহ্যের তুরুপের তাস হলো রাশিয়ার থেকে পাওয়া S-400 ট্রায়াম্ফ। এই সিস্টেমটি ৪০০ কিমি দূর থেকেই F-35-এর মতো স্টিলথ যুদ্ধবিমান এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল ট্র্যাক করে ধ্বংস করতে সক্ষম। শত্রুপক্ষ সীমান্ত অতিক্রম করার আগেই সেটিকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে এই রাশিয়ান প্রযুক্তি।

ইরানের তুরুপের তাস: বাবর-৩৭৩ বিদেশি অস্ত্রের পাশাপাশি ইরান তাদের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘বাবর-৩৭৩’ (Bavar-373) সিস্টেমকে S-400-এর সমতুল্য করে তুলেছে। নতুন সা ইয়াদ ৪বি (Sayyad 4B) মিসাইল সমৃদ্ধ এই সিস্টেমটিকে জ্যাম করা প্রায় অসম্ভব। নিজস্ব রাডার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এটি যেকোনো আধুনিক যুদ্ধবিমানের কাছে যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমেরিকার F-15 এবং ইরানের এই মাল্টি-লেয়ার ডিফেন্সের মধ্যে এখন কে জয়ী হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে বিশ্ব রাজনীতির ভবিষ্যৎ।