গরম চা-কফি খেতে গিয়ে জিভ পুড়ে নাজেহাল? নিমিষেই জ্বালা কমাতে ট্রাই করুন এই ঘরোয়া টোটকা!

ব্যস্ত সকালে এক কাপ গরম ধোঁয়া ওঠা চা বা কফিতে চুমুক না দিলে অনেকেরই দিন শুরু হয় না। কিন্তু এই তৃপ্তির মাঝেই ঘটে বিপত্তি! অসাবধানতায় প্রথম চুমুকেই যখন জিভ পুড়ে যায়, তখন সারাদিন খাবারের স্বাদ পাওয়া তো দূর, কথা বলতেও কালঘাম ছোটে। আপনিও কি প্রায়ই এমন পরিস্থিতির শিকার হন? তবে জেনে নিন ঝটপট আরাম পাওয়ার কিছু অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়।

মুহূর্তেই মিলবে আরাম: জিভ পুড়ে গেলে দেরি না করে সাথে সাথে মুখে ঠান্ডা জল নিন। ২-৩ মিনিট জল মুখে ধরে রাখলে পোড়া অংশের তাপমাত্রা কমে যাবে। ফ্রিজের বরফ কিউবও পোড়া জায়গায় আলতো করে চেপে ধরতে পারেন, এটি ক্ষতস্থানকে অবশ করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। ডেইলিয়ান্ট-এর পাঠকদের জন্য আরও একটি টোটকা হলো কাঁচা দুধ বা দই। ঠান্ডা দুধ পান করলে বা দই মুখে রাখলে জ্বালা দ্রুত প্রশমিত হয়।

রান্নাঘরের ম্যাজিক টোটকা: জিভ পোড়ার জ্বালা কমাতে মধু অত্যন্ত কার্যকর। এক চামচ মধু পোড়া অংশে লাগিয়ে রাখলে এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান দ্রুত ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। মধু না থাকলে সামান্য চিনি বা গুঁড়ো দুধ পোড়া জায়গায় ছড়িয়ে দিন, এটি জ্বালা কমাতে দারুণ কাজ দেয়। এছাড়া সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ঈষদুষ্ণ নুন-জলে কুলকুচি করা অত্যন্ত উপকারী।

কী করবেন না? জিভ না শুকানো পর্যন্ত খুব গরম, অতিরিক্ত ঝাল বা মশলাদার খাবার একদম খাবেন না। লেবু বা কমলার মতো অ্যাসিডিক ফল থেকেও দূরে থাকুন। সাধারণত ২-৩ দিনের মধ্যেই এই ক্ষত সেরে যায়, তবে যদি এক সপ্তাহ পরেও ব্যথা না কমে, তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।