উত্তরে তুষারপাত, সমতলে শিলাবৃষ্টি! উত্তরপ্রদেশসহ ৮ রাজ্যে জারি কমলা সতর্কতা; এখনই সাবধান হন

ধেয়ে আসছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা; হিমাচলে বরফ আর উত্তরপ্রদেশে বৃষ্টির ভ্রুকুটি, বাড়ল সতর্কতা!

জাতীয় ডেস্ক: বছরের শুরু থেকেই আবহাওয়ার মুড বদল অব্যাহত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর ও মধ্য ভারতে আবারও এক দফা বৃষ্টি ও তুষারপাতের পালা শুরু হতে চলেছে। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (IMD) জানিয়েছে, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ (শনিবার) থেকে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশজুড়ে আবহাওয়ার বড়সড় রদবদল দেখা যাবে। ৮টিরও বেশি রাজ্যে জারি করা হয়েছে হলুদ এবং কমলা সতর্কতা।

পাহাড় ও সমতলে আইএমডি-র সতর্কবার্তা

  • পশ্চিম হিমালয় অঞ্চল: জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের উচ্চভূমিতে ৩১ জানুয়ারি থেকে ভারী তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। নিচু এলাকাগুলোতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘন্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

  • সমতল রাজ্যগুলো: পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সাথে শিলাবৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম রাজস্থানে শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

[Image: Rain and dark clouds over city landscape / Snowfall in mountains]

দিল্লি-এনসিআর: ঠান্ডার সাথে হালকা বৃষ্টি

রাজধানী দিল্লিতে তীব্র ঠান্ডার পাশাপাশি সকালে ঘন কুয়াশা থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৮-২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-৪০ কিমি বেগে বাতাস বইতে পারে এবং হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের চিত্র

  • উত্তরপ্রদেশ: পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা। পূর্ব উত্তরপ্রদেশে ২ ফেব্রুয়ারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫-১০ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে।

  • বিহার: বিহারে বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও ঘন কুয়াশা থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫-৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে, ফলে শীতের আমেজ বজায় থাকবে।

পর্যটকদের জন্য সুখবর ও স্থানীয়দের জন্য চ্যালেঞ্জ

উত্তরাখণ্ড ও জম্মু-কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যেতে পারে। তুষারপাতের ফলে পর্যটকদের ভিড় বাড়তে পারে, তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়া বা বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মতো সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।