সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেন না? অসামাজিক নয়, আপনি আসলে বিরল ৪ গুণের অধিকারী!

আজকের যুগে ঘুম ভাঙলেই স্মার্টফোনের নীল আলো আর নোটিফিকেশনের শব্দ। ঘুরতে যাওয়া থেকে দুপুরের লাঞ্চ—সবই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘কন্টেন্ট’। কিন্তু এই ইঁদুর দৌড়ের মাঝেও একদল মানুষ আছেন যারা একদম চুপচাপ। প্রোফাইলে না আছে স্টোরি, না আছে নতুন ছবি। অনেকেই তাদের ‘অসামাজিক’ বা ‘ব্যাকডেটেড’ ভাবেন, কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে অন্য কথা। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় কম সক্রিয়, তারা আসলে মানসিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং সুখী। কেন? তাদের মধ্যে লুকিয়ে থাকে এই চারটি অসাধারণ গুণ:
১. ব্যক্তিগত সীমানা নির্ধারণে দক্ষ: সবকিছু দুনিয়াকে দেখানোর প্রয়োজন নেই—এই পরিপক্কতা সবার থাকে না। যারা কম পোস্ট করেন, তারা জানেন ব্যক্তিগত জীবন এবং পাবলিক জীবনের পার্থক্য কী। তারা অন্যের হাততালি পাওয়ার চেয়ে নিজের মানসিক শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দেন।
২. ভার্চুয়াল নয়, বাস্তব সম্পর্কে বিশ্বাসী: লাইক বা কমেন্ট দিয়ে এরা সম্পর্কের গভীরতা মাপেন না। এদের কাছে স্ক্রিনের হাসির চেয়ে মুখোমুখি বসে আড্ডা দেওয়া বা চোখের ভাষা বোঝা বেশি দামি। এরা সংযোগে বিশ্বাস করেন, স্রেফ উপস্থিতিতে নয়।
৩. তুলনা করার অভ্যাস নেই: অন্যের স্টাইলিশ জীবন বা দামী গাড়ি দেখে যারা হীনম্মন্যতায় ভোগেন না, তারাই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে পারেন। এরা নিজেদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট এবং লাইকের সংখ্যার ওপর এদের মেজাজ নির্ভর করে না।
৪. বর্তমান মুহূর্তে বাঁচার শিল্প: ক্যামেরার লেন্সে বন্দি করার চেয়ে মুহূর্তকে মন ভরে অনুভব করা এদের সহজাত বৈশিষ্ট্য। তারা স্মৃতি জমানোর চেয়ে স্মৃতি তৈরিতে বেশি বিশ্বাসী। এই মানসিকতা তাদের মনকে রাখে শান্ত ও বিক্ষিপ্তহীন।