নন্দীগ্রামে ‘লুঙ্গি বাহিনী’র তাণ্ডব! তৃণমূলকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে রণমূর্তিতে শুভেন্দু

নন্দীগ্রামের মাটিতে ফের উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। সমবায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। অভিযোগের তির রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। নন্দীগ্রামের রানীচকে সমবায় দখলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সন্ত্রাস ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে, যাদের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ‘লুঙ্গি বাহিনী’ বলে কটাক্ষ করেছেন।
সোমবার বিকেলে রানীচক এলাকায় সমবায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, মুহূর্তের মধ্যে তৃণমূলের বহিরাগত দুষ্কৃতীরা সাধারণ গ্রামবাসীদের ওপর চড়াও হয়। লাঠি, রড নিয়ে মারধর করা হয় বিজেপি সমর্থকদের। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত এলাকায় পৌঁছান স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আক্রান্ত গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করেন শুভেন্দু। তিনি সাফ জানান, “নন্দীগ্রামের পবিত্র মাটিতে এই ধরণের গুণ্ডাগিরি বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসন ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে আছে, আর পুলিশ শাসকদলের ক্যাডারের মতো কাজ করছে।” আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের সবরকম আইনি ও সামাজিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন।
এলাকায় উত্তেজনা থাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যাঁরা এই হামলা চালিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার হবে। নন্দীগ্রামের মানুষ জানে কীভাবে এই ‘লুঙ্গি বাহিনী’কে ঠান্ডা করতে হয়।” শাসকদলের পক্ষ থেকে অবশ্য মারধরের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে নন্দীগ্রামের রানীচক এলাকায় ব্যাপক রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে।