ভোররাত ৩টেয় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ নির্বাচন কমিশনের! ঘুম ভাঙতেই বদলে গেল বাংলার ভোটের ছবি!

অবশেষে স্বস্তি! শনিবার রাতভর উৎকণ্ঠার পর মিটল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওটিপি (OTP) সংক্রান্ত জটিলতা। শনিবার রাত ৩টে নাগাদ যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত হতেই ফের ছন্দে ফিরল ভোটার তালিকা তৈরির কাজ। রবিবার সকাল থেকেই রাজ্যের জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রিন্ট করার প্রক্রিয়া।
কী ঘটেছিল আসলে? শনিবার দিনভর সার্ভার বিভ্রাটের কারণে ওটিপি যাচাই প্রক্রিয়ায় বড়সড় সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ফলে অনেক জায়গাতেই থমকে গিয়েছিল তালিকা তৈরির কাজ। নির্বাচন কমিশনের প্রযুক্তিবিদরা রাতভর যুদ্ধের পর সেই সার্ভার জট ছাড়াতে সক্ষম হন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কারিগরি ত্রুটির কারণেই এই সমস্যা হয়েছিল, যা এখন পুরোপুরি ঠিক করা হয়েছে।
জেলাজুড়ে সাজ সাজ রব রবিবার সকাল থেকেই প্রতিটি জেলার জেলাশাসকদের কড়া নজরদারিতে সংশ্লিষ্ট ইআরও-রা (ERO) ভোটার তালিকার প্রিন্ট আউট নেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। অনেক জায়গায় ইতিমিধ্যেই খসড়া তালিকা টাঙানোর কাজও শুরু হয়েছে। নির্বাচন দফতর সূত্রে খবর, দুপুর ১টার পর থেকে রাজ্যের প্রতিটি কোণায় এই প্রক্রিয়া পুরোদমে চালু হয়ে যাবে।
তালিকায় বিশেষ নজর ‘Unmapped’ ভোটারদের ওপর এবারের ভোটার তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ‘unmapped’ ভোটারদের। অর্থাৎ, যাঁদের ঠিকানা বা ভোটকেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্যে অসম্পূর্ণতা ছিল, তাঁদের জন্য আলাদা তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। বিএলও-দের (BLO) মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় গিয়ে তথ্য যাচাই করে এই ভোটারদের সঠিকভাবে ম্যাপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের আবহে কমিশনের এই তৎপরতা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানির আগেই কাজ গুছিয়ে রাখতে চাইছে কমিশন।