নীতিন নবীনই বিজেপির নতুন সেনাপতি! তরুণ নেতার কাঁধেই ২০২৯-এর গুরুদায়িত্ব

ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) ইতিহাস তৈরি করলেন নীতিন নবীন। সোমবার দলের সদর দফতরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ৩৭টি প্রস্তাবনা পত্র জমা পড়ার পর ৪৫ বছর বয়সী এই নেতার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়া এখন নিশ্চিত। তিনি বিজেপির ১২তম এবং ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী জাতীয় সভাপতি হিসেবে আগামী তিন বছরের জন্য দায়িত্ব সামলাবেন। জে পি নাড্ডার উত্তরসূরি হিসেবে নীতিনের হাতেই এখন ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সলতে পাকানোর ভার।

কেন নীতিন নবীনের ওপর আস্থা? বিহারের পাঁচবারের বিধায়ক নীতিন নবীনকে ডিসেম্বর মাসে কার্যনির্বাহী সভাপতি করে বড় চমক দিয়েছিল বিজেপি। ছত্তিশগড় নির্বাচনে দলের সহ-প্রভারী হিসেবে কংগ্রেসকে হারানোর নেপথ্যে তাঁর তুখোড় রণকৌশল শীর্ষ নেতৃত্বের নজর কেড়েছিল। বিহার থেকে তিনিই প্রথম এবং বিজেপি ইতিহাসে প্রথম কায়স্থ নেতা হিসেবে এই শীর্ষ পদে আসীন হতে চলেছেন।

কঠিন চ্যালেঞ্জ ও অ্যাসিড টেস্ট: নীতিন নবীনের সামনে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই পাঁচটি কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে:

  • ৫ রাজ্যের ভোট: পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরালা, অসম এবং পুডুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন। বিশেষ করে বাংলায় মমতার জয়রথ থামানো এবং দক্ষিণ ভারতে খাতা খোলা তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

  • জাতি গণনা: স্বাধীনতার পর প্রথমবার জাতিভিত্তিক জনগণনা বিজেপির সনাতনী ও হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির সামনে নয়া সমীকরণ তৈরি করতে পারে। ওবিসি ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখাই হবে চ্যালেঞ্জ।

  • মহিলা সংরক্ষণ ও সীমানা নির্ধারণ: ২০২৯-এর আগে লোকসভা ও বিধানসভা আসনের পুনর্গঠন এবং ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার প্রক্রিয়া সামলানো।

  • ২০২৯-এর লক্ষ্য: ২০২৪-এ নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পাওয়ার পর ২০২৯-এ বিজেপিকে একক শক্তিতে ক্ষমতায় ফেরানোই নীতিনের প্রধান মিশন।