“পাকিস্তানি মেয়েদের জন্য ভারতীয়রা পাগল!” করাচি সুন্দরীর ভিডিওতে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের বরফ না গললেও, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কাউন্টারে ঘটে গেল এক অন্যরকম ঘটনা। করাচির বাসিন্দা তথা পাকিস্তানি অভিনেত্রী নাজিয়া সানামের একটি ভিডিও বর্তমানে ইন্টারনেটে ভাইরাল। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, দুবাই বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কাউন্টারে একজন ভারতীয় কর্মকর্তা তাঁর সাথে কেবল মজাদার কথাই বলেননি, রীতিমতো ‘ফ্লার্টিং’ করেছেন। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।
ভিডিওতে কী দাবি করেছেন নাজিয়া? নাজিয়া তাঁর এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে শেয়ার করা ভিডিওতে জানান, তিনি যখন ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পৌঁছান, ওই ভারতীয় অফিসার তাঁর পাসপোর্ট দেখে জানতে পারেন তিনি করাচি থেকে এসেছেন। এরপরই অফিসার তাঁর সাথে উর্দুতে কথা বলা শুরু করেন। নাজিয়ার দাবি, তাঁর পোশাক দেখে অফিসার জিজ্ঞাসা করেন তিনি কেবিন ক্রু কি না। যখন নাজিয়া না বলেন, তখন অফিসার মজা করে বলেন, “আপনি যতক্ষণ আপনার পেশা না বলবেন, আমি আপনাকে এখানেই দাঁড় করিয়ে রাখব।” অফিসার আরও যোগ করেন, “আপনি নিশ্চয়ই বিশেষ কেউ হবেন।”
বিতর্কের মূলে ক্যাপশন: নাজিয়া ভিডিওটির ক্যাপশনে লিখেছেন, “পাকিস্তানি মেয়েদের জন্য ভারতীয়রা পাগল”। এই মন্তব্যটিই আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। একদল নেটিজেন বিষয়টিকে ‘মানবিক’ এবং ‘মিষ্টি সৌজন্য’ হিসেবে দেখলেও, অন্য একটি অংশ জাতীয় নিরাপত্তা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইমিগ্রেশনের মতো সংবেদনশীল বিভাগে কর্মরত একজন অফিসার কীভাবে একজন বিদেশি নাগরিকের সাথে ডিউটি চলাকালীন এই ধরণের ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিক কথা বলতে পারেন, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
জনগণের প্রতিক্রিয়া: সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ লিখেছেন, “ভারতীয় পুরুষরা সৌন্দর্যের প্রশংসা করতে জানেন, এতে দোষের কিছু নেই।” আবার কেউ পাল্টা আক্রমণ করে বলেছেন, “কর্তব্যরত অবস্থায় শৃঙ্খলাই শেষ কথা, এমন হালকা আচরণ কাম্য নয়।” তবে পুরো ঘটনাটি নিয়ে এখন দুই দেশের নেটিজেনদের মধ্যে বাকযুদ্ধ তুঙ্গে।