SIR-এ অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন, জেনেনিন তাহলে এবার কী হতে পারে?

রাজ্যজুড়ে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা SIR (Special Intensive Revision)-এর কাজ এখন তুঙ্গে। এনুমারেশন পর্ব শেষ হওয়ার পর খসড়া ভোটার তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে চলছে বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্যের গরমিল খতিয়ে দেখার জন্য ‘হিয়ারিং’ বা শুনানি প্রক্রিয়া। কিন্তু এই শুনানিতেই দেখা দিয়েছে এক বড় জটিলতা। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা তথ্য সংশোধনের জন্য অনেকেই বয়সের প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক ঘোষণায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই কার্ড কোনোভাবেই বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না।
কমিশন সূত্রে খবর, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে SIR প্রক্রিয়ায় নথি হিসেবে গ্রহণ করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু কমিশন সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, তালিকায় নাম তোলার জন্য যে নির্দিষ্ট তালিকার কথা আগে জানানো হয়েছিল, শুধুমাত্র সেই নথিগুলোই গ্রহণযোগ্য। এর ফলে যারা ইতিমধ্যেই অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন, তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তবে কমিশন আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, যারা শুধুমাত্র অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন, তাদের পুনরায় শুনানিতে ডাকা হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদের অন্য কোনো বৈধ পরিচয়পত্র বা নথি দেখাতে হবে। আর যারা অ্যাডমিট কার্ডের সাথে অন্যান্য জরুরি নথি দিয়েছেন, তাদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই।
ভোটার তালিকায় নাম নিশ্চিত করতে যে নথিগুলো বৈধ হিসেবে গণ্য হবে, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৮৭ সালের আগের ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের নথি, বার্থ সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট, আধার কার্ড, এবং উচ্চশিক্ষার সার্টিফিকেট। এছাড়াও সরকারি পরিচয়পত্র, জমি বা বাড়ির দলিল এবং এসসি/এসটি/ওবিসি সার্টিফিকেটও গ্রহণযোগ্য। তাই ভোটার তালিকায় নিজের নাম নিশ্চিত করতে অ্যাডমিট কার্ডের বদলে এই সমস্ত প্রামাণ্য নথির যেকোনো একটি সাথে রাখার পরামর্শ দিচ্ছে কমিশন। অন্যথায়, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।