“ইডির হামলা বৃথা হবে, আবার জিতবে বাংলা!” দিল্লিতে ধস্তাধস্তির পর বিজেপিকে কড়া চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের

কলকাতায় আইপ্যাকের অফিসে ইডি তল্লাশির আঁচ এবার আছড়ে পড়ল খোদ দেশের রাজধানী দিল্লিতে। শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন উত্তেজনা ছড়াল। ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, শতাব্দী রায়-সহ তৃণমূলের আট সাংসদকে রাস্তা থেকে টেনে-হিঁচড়ে এবং চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের একবার কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত চরমে উঠল।
সকাল থেকেই ‘মোদী-শাহ জেনে রাখো, আবার জিতবে বাংলা’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে শামিল হন সাংসদরা। তাঁদের অভিযোগ, বাংলার রাজনৈতিক কৌশল চুরি করতেই আইপ্যাকের অফিসে হানা দিয়েছে ইডি। পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার প্রতিমা মণ্ডল ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসেছিলাম, কিন্তু অমিত শাহের পুলিশ আমাদের মারধর করে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে গিয়েছে।” আটক সাংসদদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
দিল্লিতে সাংসদদের আটকের খবর পেতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় গর্জে ওঠেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কটাক্ষ করে লেখেন, “অপরাধীদের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে আর প্রতিবাদীদের জেলে পোরা হচ্ছে। এটাই বিজেপির নতুন ভারত।” যদিও তৃণমূলের এই বিক্ষোভকে ‘নাটক’ বলে পাল্ট মার দিয়েছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, স্বরাষ্ট্র দফতরের সামনে ধর্না দিয়ে দেশের সুরক্ষা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। বিধানসভা ভোটের আগে আইপ্যাক ও ইডি ইস্যুতে দিল্লির এই লড়াই এখন জাতীয় রাজনীতির হট টপিক।