ছিঃ! নমো ভারতের কোচে শ্লীলতার সীমা পার, যুগলের অশ্লীল কাণ্ড সিসিটিভিতে ধরা পড়তেই শোরগোল

অত্যাধুনিক ‘নমো ভারত’ ট্রেনের প্রিমিয়াম কোচে বসে অশালীন কাজের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ট্রেনের ভেতরে এক তরুণ-তরুণীর আপত্তিকর আচরণের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুগলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার পাশাপাশি, ওই দৃশ্যের ভিডিও রেকর্ড করে ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে ট্রেনের অপারেটরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছিল? পুলিশ ও এনসিআরটিসি (NCRTC) সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে গত ২৪ নভেম্বর। দুহাই থেকে মুরাদনগরগামী নমো ভারত ট্রেনের ২৩ নম্বর প্রিমিয়াম কোচে এক তরুণ ও তরুণী প্রকাশ্যেই যৌনতায় লিপ্ত হন। গণপরিবহণের মতো জনসমক্ষে এমন আচরণ শালীনতার চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। দিল্লি–গাজিয়াবাদ–মিরাট রেল ট্রানজিট সিস্টেমের নিরাপত্তা প্রধান দুষ্যন্ত কুমারের অভিযোগের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ফেঁসে গেলেন ট্রেন অপারেটরও: তদন্তে জানা গেছে, যখন ওই যুগল আপত্তিকর কাজে লিপ্ত ছিলেন, তখন কর্তব্যরত ট্রেন অপারেটর ঋষভ নিজের কেবিনে বসে মোবাইল ফোনে সেই দৃশ্যের ভিডিও রেকর্ড করেন। নিয়ম ভেঙে ডিউটির সময় মোবাইল ব্যবহার এবং সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গত ৩ ডিসেম্বর ঋষভকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে পৃথক মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

পুলিশি পদক্ষেপ: গাজিয়াবাদ পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, অজ্ঞাতপরিচয় ওই তরুণ-তরুণীর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ২৯৬ ও ৭৭ ধারায় মামলা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তাঁদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া অপারেটরের মোবাইল ফোনটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ট্রেনের নিরাপত্তা ও যাত্রীদের নজরদারি আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিআরটিসি।