ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণেও ঘুচল না পরিবারের দূরত্ব! হেমাকে ‘একঘরে’ করল দেওল পরিবার? মুখ খুললেন শোভা দে

বলিউডের ‘হিম্যান’ ধর্মেন্দ্র (Dharmendra) আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন এক মাসও হয়নি। কিন্তু শোকের আবহের মাঝেই দেওল পরিবারের দীর্ঘদিনের চাপা অন্তর্দ্বন্দ্ব এবার প্রকাশ্যে। প্রখ্যাত লেখিকা শোভা দে (Shobhaa De) দাবি করেছেন, ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর তাঁর প্রথম পক্ষের পরিবার অর্থাৎ প্রকাশ কৌর ও সানি-ববিরা হেমা মালিনী এবং তাঁর দুই মেয়েকে কার্যত ‘একঘরে’ করে রেখেছেন।

মর্যাদার লড়াইয়ে অনড় হেমা: সম্প্রতি সাংবাদিক বরখা দত্তকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শোভা দে জানান, ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর হেমা মালিনীর সঙ্গে দেওল পরিবারের ব্যবহার ছিল অত্যন্ত শীতল। তবুও ‘ড্রিম গার্ল’ তাঁর গরিমা হারাননি। শোভার কথায়, “হেমা চাইলে জনসমক্ষে কান্নাকাটি করে মিডিয়ার সহানুভূতি কুড়োতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি নিজের মর্যাদা বজায় রেখেছেন।” এমনকি ধর্মেন্দ্রর জন্য আলাদা করে একটি স্মরণসভার আয়োজনও করেছিলেন হেমা।

প্রকাশ কৌর বনাম হেমা মালিনী: বলিউডের ইতিহাসে ধর্মেন্দ্রর দুই পরিবারের সমীকরণ সবসময়ই ছিল জটিল। জীবনের শেষ দিনগুলোতে ধর্মেন্দ্র তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গে একটি ফার্মহাউসে সময় কাটিয়েছেন বলে শোনা যায়। কিন্তু শোকের মুহূর্তে দুই পরিবার এক হওয়ার বদলে দূরত্ব আরও বেড়েছে বলেই দাবি শোভার। তাঁর মতে, হেমা মালিনী তাঁর দুই মেয়ে এশা ও অহনার পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন এবং ব্যক্তিগত শোককে পাবলিক শো-তে পরিণত হতে দেননি।

স্মৃতিতে আজও ‘ধরমজী’: সামাজিক মাধ্যমে নিজের নীরবতা ভেঙে হেমা মালিনী ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন, “ধরমজী আমার কাছে সবকিছু ছিলেন—একজন আদর্শ স্বামী, বন্ধু, দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক।” হেমা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাইরের দুনিয়ায় বিবাদ যাই থাকুক না কেন, তাঁর হৃদয়ে ধর্মেন্দ্রর স্থান আজও অমলিন।

ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর বলিউডের এই দুই পরিবারের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার। তবে শোভার এই মন্তব্য টিনসেল টাউনে নতুন করে জল্পনার আগুন উসকে দিয়েছে।

Dipak Barman01
  • Dipak Barman01