২০২৭-এর জনগণনায় রেকর্ড বাজেট, ₹১১,৭১৮ কোটি অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, দেশের ইতিহাসে প্রথম ডিজিটাল ও জাতিভিত্তিক জনগণনা

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুটি বড় সংস্কারের পাশাপাশি ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য বিশাল বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, জনগণনার জন্য ১১,৭১৮ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদিত হয়েছে।
প্রথম ডিজিটাল জনগণনা (Digital Census):
মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের মতে, এই জনগণনা দেশের জন্য একটি বিশাল প্রক্রিয়া এবং এটি হবে দেশের প্রথম ডিজিটাল জনগণনা। তথ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এর ডিজিটাল ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। জনগণনার কাজ দুটি ধাপে পরিচালিত হবে:
১. প্রথম ধাপ (হাউস লিস্টিং ও হাউসিং গণনা): ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত। ২. দ্বিতীয় ধাপ (জনসংখ্যার গণনা): ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পরিচালিত হবে।
এই ডিজিটাল জনগণনা সম্পন্ন করার জন্য ৩০ লক্ষ কর্মচারী নিয়োগ করা হবে, এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ হবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। এটি হবে দেশের প্রথম জাতিভিত্তিক জনগণনাও।
কয়লা সেক্টরে বড় সংস্কার:
মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি কয়লা সেক্টরে একটি বড় সংস্কার, যার নাম ‘Coal Setu’। মন্ত্রী জানান, ভারত কয়লা উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার দিকে এগিয়ে চলেছে এবং ২০২৪-২০২৫ সালে ভারত ১ বিলিয়ন টনেরও বেশি কয়লা উৎপাদন করেছে।
কয়লা আমদানির উপর ভারতের পূর্ববর্তী নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় প্রায় ৬০,০০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলেও জানান তিনি। [অনুসন্ধান অনুযায়ী, ‘Coal Setu’ হল মূলত ‘Seamless, Efficient and Transparent Utilisation (SETU)’ প্রকল্পের সংশোধিত নিয়মাবলী, যা বাণিজ্যিক নিলামের মাধ্যমে কয়লা ব্যবহারকারীদের জন্য নিয়ম আরও সহজ ও স্বচ্ছ করেছে।]**
কৃষকদের কল্যাণে পদক্ষেপ:
মন্ত্রিসভার তৃতীয় সিদ্ধান্তটি কৃষকদের কল্যাণের জন্য নেওয়া একটি বড় পদক্ষেপ। তবে এই বিষয়ে মন্ত্রী বিস্তারিত তথ্য দেননি।
ভারতের জনগণনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং সেনসাস কমিশনার দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এটি দেশের জনসংখ্যা, আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং সম্পদের বন্টনের একটি বিস্তৃত সার্ভে হিসেবে গণ্য হয়।