‘আত্মার উৎসব, বিশ্বাসের মহাযজ্ঞ’, আবেগ আর প্রার্থনা নিয়ে আসা ৬.৫ লক্ষ মানুষকে ‘ধর্মান্ধ’ বলায় বুদ্ধিজীবীদের তীব্র আক্রমণ

একটি বৃহৎ ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানের পর, সেই অনুষ্ঠানে সমবেত লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশ্বাস ও আবেগ নিয়ে সমাজের একাংশের ‘এলিট বুদ্ধিজীবী’দের সমালোচনার কড়া জবাব উঠে এল। ওই অনুষ্ঠানে প্রায় ৬.৫ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি এবং তাঁদের গভীর ভক্তিকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলে আখ্যা দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে।

বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, সেদিন মানুষ কোনো রাজনৈতিক নেতার কথায় বা জাগতিক লাভের আশায় নয়, বরং বিশ্বাস, আত্মসম্মান এবং অশ্রুসিক্ত প্রার্থনা নিয়ে সমবেত হয়েছিলেন।

মূল অভিযোগ:

আবেগ নিয়ে সমালোচনা: “এই মানুষগুলোর ভক্তি, ত্যাগ, আবেগকে ধর্মান্ধতা বলবেন না। এভাবে মানুষের চোখের জলে পাথর বসাবেন না।”

মানুষের হৃদয়ের ভাষা না বোঝা: “হাত জোড় করে বলছি সেই আঁতেল বুদ্ধিজীবীদের, আপনারা মানুষের হৃদয়ের ভাষা বোঝেন না, আপনারা এই বাংলাকেও চিনতে পারেননি।”

‘এলিট গর্ব’: বুদ্ধিজীবীরা যেন কলকাতার ক্যামেরা ছেড়ে নদিয়া, বর্ধমান, বীরভূমের মাটিতে পা রাখেন, যেখানে মানুষের চোখে তাঁদের ‘এলিট গর্ব’ তুচ্ছ।

অপপ্রচারের অভিযোগ: বক্তা অভিযোগ করেন, “ভেজ”-এর নাম করে “চিকেন” খাওয়ানোর চেষ্টা ঢাকতে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা একদিন বুমেরাং হবে।

আত্মার মুক্তি: গীতাপাঠ শেষে ভক্তদের ভেজা চোখ ‘অভিনয়ের ছিল না’, তা ছিল আত্মার মুক্তির জল।

বক্তা জোর দিয়ে বলেছেন, “Core Belief-এ আঘাত দিলে সে ক্ষত কখনও সারে না।” তিনি সতর্ক করে দেন যে, ৭০ বছরের পুরনো ‘ন্যাকা ন্যারেটিভের’ জোরে আর সব জিতে নেওয়া যায় না। এই মাটিকে অবজ্ঞা করলে ইতিহাস তার জবাব দেবে।