ডিএ রায় হাতে গোনা দিন বাকি! ১৯ ডিসেম্বরের আগে বড় সিদ্ধান্ত? বাড়ছে সরকারি কর্মীদের উদ্বেগ

নভেম্বর পেরিয়ে ডিসেম্বর শুরু হলেও ডিএ (Dearness Allowance) মামলার চূড়ান্ত রায়দান এখনও করেনি সুপ্রিম কোর্ট। চলতি বছর ৮ই সেপ্টেম্বর মামলাটির শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পর রায় ‘শুনে সংরক্ষিত’ (Heard and Reserved) রয়েছে। মাসের পর মাস ধরে রায় না আসায় রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারীর উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এই দীর্ঘসূত্রতা নিয়েই এবার বড় ইঙ্গিত দিলেন মামলার সঙ্গে যুক্ত এক বিশিষ্ট আইনজীবী।

বিলম্বের পিছনে ‘ইতিবাচক’ কারণ:

ডিএ মামলার সঙ্গে প্রথম থেকেই যুক্ত থাকা বিশিষ্ট আইনজীবী প্রবীর বাবু সম্প্রতি এই বিষয়ে বিশেষ ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা রাখার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, রায়দানে বিলম্ব হলেও নিরাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই, বরং এর পেছনে একটি ইতিবাচক দিক থাকতে পারে।

তাঁর মতে, সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিতে চলেছে, তা দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে ‘ঐতিহাসিক’ হতে পারে। যেহেতু এই রায়ের সঙ্গে লক্ষ লক্ষ কর্মচারীর ভাগ্য জড়িত এবং এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে, তাই বিচারপতিরা হয়তো মামলার প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছেন—এ কারণেই রায় প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে।

শীতকালীন ছুটির আগে অবসান:

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান কবে হবে? আইনজীবী প্রবীর বাবুর ব্যক্তিগত মত, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই মামলার রায় সামনে আসতে পারে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আগামী ১৯শে ডিসেম্বর থেকে সুপ্রিম কোর্টে শীতকালীন ছুটি শুরু হচ্ছে। রাজনৈতিক ও আইনি মহলের একাংশ মনে করছে, ছুটির আগে অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যভাগেই ডিএ মামলার রায়দান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে ডিএ মামলার শুনানি বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের স্পেশাল বেঞ্চে সমাপ্ত হয়েছে। এই বেঞ্চই চূড়ান্ত রায়দান করবে। তবে রায় প্রকাশের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক আপডেট দেয়নি।