পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকদের জন্য বিরাট সুবিধা! মাত্র ২৪ ঘণ্টায় মিলবে ডিজিটাল সার্টিফিকেট, জেনে নিন আবেদনের সহজ পদ্ধতি!

বর্তমান ডিজিটাল যুগে পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের জন্য বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে ইনকাম সার্টিফিকেট (Income Certificate) বা স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেটের (Residency Certificate) জন্য আর পঞ্চায়েত অফিসে লাইন দিতে হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সার্টিফিকেটগুলি এখন থেকে মিলবে অনলাইনেই

ডিজিটাল সার্টিফিকেট তৈরির পদ্ধতি:

গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নাগরিকরা বাড়িতে বসেই স্মার্টফোন ব্যবহার করে রাজ্য সরকারের ‘WBPMS’ পোর্টালের মাধ্যমে এই সুবিধা নিতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করার জন্য নিম্নলিখিত নথিগুলির প্রয়োজন হবে:

প্রয়োজনীয় নথি বিশেষ নির্দেশ
১. রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি স্ক্যান করে বা ছবি তুলে আপলোড করতে হবে।
২. ভোটার কার্ড স্ক্যান করে বা ছবি তুলে আপলোড করতে হবে।
৩. আধার কার্ড স্ক্যান করে বা ছবি তুলে আপলোড করতে হবে।
৪. পঞ্চায়েত মেম্বার ফরম্যাট পঞ্চায়েত সদস্যের সাক্ষর করা ফরম্যাট।

দ্রুত পরিষেবা:

সঠিক পদ্ধতিতে অনলাইনে আবেদন করলে আবেদনকারী মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ডিজিটাল সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যেতে পারেন।

আবেদন করার ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া:

  1. লগইন: প্রথমে রাজ্য সরকারের ‘WBPMS’ পোর্টালে যান।

  2. অপশন নির্বাচন: ‘সিটিজেন কর্নার’ (Citizen Corner) অপশনে ক্লিক করুন।

  3. ভেরিফিকেশন: আপনার মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশন করে পোর্টালে লগইন করুন।

  4. ঠিকানা পূরণ: নিজের জেলা, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম নির্বাচন করুন। প্রয়োজনে সংসদের নম্বর উল্লেখ করতে পারেন। এরপর আবেদনকারীর নাম, অভিভাবকের নাম এবং সম্পূর্ণ ঠিকানা দিয়ে ফর্মটি পূরণ করুন।

  5. সার্টিফিকেট নির্বাচন: এরপর আপনি কোন সার্টিফিকেটটি চাইছেন (ইনকাম বা রেসিডেন্সি) তা সিলেক্ট করুন।

  6. নথি আপলোড: একে একে সমস্ত স্ক্যান করা নথিপত্র (ফাইলের সাইজ ঠিক রেখে) সঠিক জায়গায় আপলোড করুন।

  7. সাবমিট ও ডাউনলোড: ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করে আবেদনপত্র জমা দিন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর অন্তত ২৪ ঘন্টা পর পুনরায় একই পদ্ধতিতে লগইন করে ‘অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস’ অপশনে যেতে হবে।

  8. যদি আপনার আবেদনটি পঞ্চায়েত প্রধান বা আধিকারিক দ্বারা অনুমোদিত হয়, তাহলে সেখানে ‘Ready to Download’ অপশনে ক্লিক করে ডিজিটাল সই করা রঙিন সার্টিফিকেটটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

এইভাবেই বাড়িতে বসেই আপনি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন।