গৌরাঙ্গ সেতু বন্ধ থাকায় ভোগান্তি শেষ! পূর্বস্থলী ও নবদ্বীপকে জুড়তে ছাড়ি গঙ্গার উপর তৈরি হলো ৩০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো

গৌরাঙ্গ সেতু বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানের মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছিল, তা সাময়িকভাবে পুনরুদ্ধার হতে চলেছে। পণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী যাতায়াতে তৈরি হওয়া ভোগান্তির পরিবেশে এবার কিছুটা স্বস্তি মিলবে।
সেতু বন্ধ থাকায় এতদিন নদীর দুই পাড়ের মানুষ বাধ্য হয়ে জলপথে নৌকায় যাতায়াত করছিলেন। বাস, ট্রাক সহ ভারী যানবাহনও জলপথে পারাপারের চেষ্টা করায় পরিস্থিতি জটিল হচ্ছিল। এই অবস্থায়, জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সাময়িক সমাধান হিসেবে ছাড়ি গঙ্গার উপর তৈরি করা হয়েছে ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি বাঁশের সাঁকো।
সোমবার থেকে সাঁকো চালু:
পূর্বস্থলী ও নবদ্বীপ থানার ইদ্রাকপুর গ্রামকে সংযুক্ত করতে এই সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে। সোমবার (সকাল ৯টা থেকে) আনুষ্ঠানিকভাবে এই সাঁকোটি চালু হবে।
এটি চালু হলে নৌকা পারাপারের জন্য যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হবে। পায়ে হেঁটে সহজেই নদীর দুই পাড়ে তথা ইদ্রাকপুর বা নবপল্লী ঘাটে পৌঁছে যাওয়া যাবে।
পূর্বস্থলী রেল স্টেশন থেকে নবপল্লী ঘাটের দূরত্ব মাত্র ৩০০ মিটার এবং দক্ষিণ রেল ফটক থেকে মাত্র ১০০ মিটার হওয়ায় যাতায়াত তুলনামূলকভাবে সহজ হবে।
সোমবার থেকে এই ঘাটে নৌকা চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হবে। যদিও সাঁকো ব্যবহারের জন্য যাত্রীদের ঘাট মালিককে নির্দিষ্ট ভাড়া দিতে হবে। প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, গৌরাঙ্গ সেতু পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত দুই পাড়ের হাজারও মানুষকে দৈনন্দিন যাতায়াত ও প্রয়োজন মেটানোর জন্য এই বাঁশের সাঁকোর উপরেই নির্ভর করতে হবে।