ফাঁস! জুলাই বিপ্লবে কেন বেঁচে গেলেন শেখ হাসিনা? ছেলের চাঞ্চল্যকর দাবিতে তোলপাড় রাজনীতি

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের চরম অশান্ত মুহূর্তে তাঁর মা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চক্রান্ত করা হয়েছিল। তবে, একমাত্র ভারত সরকারের সক্রিয় ভূমিকার কারণেই সেই ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর এই প্রথমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন তাঁর পুত্র সাজীব ওয়াজেদ জয়।

হাসিনার পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচিত সাজীব ওয়াজেদ জয় ভারত সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “ভারত সবসময় আমাদের খুব ভালো বন্ধু। সঙ্কটের মুহূর্তে, ভারত আমার মায়ের প্রাণ বাঁচিয়েছে। সময়মতো উনি বাংলাদেশ ছেড়ে বেরতে না পারলে সন্ত্রাসীরা ওঁকে নিশ্চিতভাবে মেরে দিত।”

সাজীবের কথায়, “আমার মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।”

জুলাই বিপ্লবের সময় বিক্ষোভকারী ছাত্রদের ওপর নির্বিচারে দমন-পীড়ন ও হত্যার অভিযোগে গত সোমবার শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। যদিও এই বিচারপ্রক্রিয়াকে ‘সম্পূর্ণ প্রহসন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন হাসিনা পুত্র। তাঁর দাবি, এই রায় বিচার নয়, বরং মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের ‘প্রতিশোধের স্পৃহা’ থেকেই এসেছে।

ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাজীব বলেন, “আমার মাকে কোনও আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি। তাঁর আইনজীবীদের আদালতেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সাজা ঘোষণার আগে ১৭ জন বিচারককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, নতুন বিচারক নিয়োগ করা হয়েছে। বেঞ্চে এমনও অনেকে ছিলেন যাঁদের বিন্দুমাত্র অভিজ্ঞতা নেই এবং তাঁরা সুস্পষ্টভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট। তাই, সেভাবে কোনও নিয়মই মানা হয়নি।”