অর্ধেক চুক্তির ভবিষ্যৎ কী? সিদ্দারামাইয়া-ডিকে শিবকুমার দ্বন্দ্ব! হাইকমান্ডের বৈঠকে মন্ত্রিসভা রদবদলের সবুজ সংকেত?

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ফের জল্পনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন। রবিবার তিনি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার পর, আজ (সোমবার) তাঁর কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গেও দেখা করার কথা রয়েছে।

সিদ্দারামাইয়া মূলত কর্ণাটক মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদলের অনুমোদন নিতে দিল্লি এসেছেন। এই সফর তাঁর নিজের পদের স্থায়িত্ব এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার অপেক্ষার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকার গঠনের সময়কার প্রতিশ্রুতি

 

আসলে, কর্ণাটকে সরকার গঠনের সময় একটি অলিখিত সূত্র ছিল— প্রথমে সিদ্দারামাইয়া এবং পরে ডিকে শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। বর্তমানে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা হবে কিনা, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মন্ত্রিসভার রদবদল এবং কিছু নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন পেতে সিদ্দারামাইয়া হাইকমান্ডের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ডিকে শিবকুমার কী বলছেন?

 

রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে সরাসরি মুখ খোলেননি। তিনি বলেছেন যে, তিনি কেবল রাজ্যে দলীয় কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষয়ে খাড়গে এবং রাহুলের সাথে দেখা করতে এসেছেন। তিনি নিজেকে দলের একজন সুশৃঙ্খল সৈনিক হিসাবে বর্ণনা করে বলেছেন যে, তিনি সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন না এবং ভবিষ্যতেও দলের নির্দেশ মেনে চলবেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে করা হচ্ছে, যদি হাইকমান্ড সিদ্দারামাইয়াকে মন্ত্রিসভায় রদবদলের অনুমতি দেয়, তবে আপাতত তাঁর চেয়ারের উপর থেকে অনিশ্চয়তার খাঁড়া সরে যাবে এবং ডিকে শিবকুমারকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।