বাংলাদেশের সংখ্যালঘু-আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐক্যের উপর জোর, ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের দাবি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতায় সংখ্যালঘু (Minority) এবং আদিবাসী (Tribal) জনগোষ্ঠীর অধিকার ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার লক্ষ্যে তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক কনভেনশনে এই মর্মে অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের একটি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠন এখন সময়ের দাবি।
সংখ্যালঘু ঐক্যমোর্চার যুগ্ম সমন্বয়ক মনীন্দ্র কুমার নাথ রবিবার এক বিবৃতিতে জানান, বাংলাদেশ খ্রীস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মি. নির্মল রোজারিও’র সভাপতিত্বে এই কনভেনশনটি অনুষ্ঠিত হয়। ঐক্য মোর্চাভুক্ত মোট ৪৩টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই দিনভর আলোচনায় অংশ নেন।
স্টিরিয়ারিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত:
কনভেনশনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সংখ্যালঘু-আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহকে মোকাবিলা এবং তাদের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ঐক্যমোর্চাভুক্ত সকল সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সমন্বয়ে একটি স্টিরিয়ারিং কমিটি তৈরি করা হবে।
আলোচনায় অংশ নেওয়া বিশিষ্টজনেরা:
আলোচনার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঐক্যমোর্চার যুগ্ম সমন্বয়ক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ।
আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন সংগঠনের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের: ড: নিম চন্দ্র ভৌমিক, যোসেফ সুধীন মণ্ডল, রঞ্জন কর্মকার।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের: সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশনের: সুনন্দপ্রিয় ভিক্ষু।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন): ডা: বিমলা প্রসাদ দাস।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘের: পীযূস দাস।
উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের: অ্যাডভোকেট প্রভাত টুডু।
এছাড়াও বাংলাদেশ খ্রীস্টান এ্যাসোসিয়েশন, হিন্দু লীগ, মতুয়া মহাসংঘ-সহ মোট ৪৩টি সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।