৮৭ জনের মৃত্যুর সেই ইতিহাস অতীত! রেকর্ড ভোটদানের পর আজ গণনা, ১১টার ট্রেন্ডেই স্পষ্ট হবে বিহারের কুর্সি কার!

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এবার ভোটদানের হার ৬৬.৯১ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে প্রথম বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে সর্বোচ্চ। ২০২০ সালে এই হার ছিল ৫৬.৯৩ শতাংশ। অতীতের হিংসা, কারচুপি এবং পুনর্নির্বাচনের ইতিহাসকে পিছনে ফেলে বিহারের এই রেকর্ড-ব্রেকিং ভোটদান গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আস্থাকেই প্রতিফলিত করেছে।

এক ঝলকে বিহারের ভোটের কালো ইতিহাস:

দীর্ঘদিন ধরেই বিহারের নির্বাচন ছিল উত্তাপ ও সহিংসতার সমার্থক:

২০০৫: হিংসার ঘটনা এবং কারচুপির জেরে ৬৬০টি বুথে আবার নির্বাচন করতে হয়েছিল কমিশনকে।

১৯৯৫: তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এন শেষন-এর কড়া অবস্থানে একই ঘটনার জন্য বিহারে ভোট চারবার স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল।

১৯৯০: নির্বাচনের সময় মৃত্যু হয়েছিল ৮৭ জনের।

১৯৮৫: ভোটের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ৬৩ জনের মৃত্যু হয় এবং ১৫৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন করানো হয়।

শান্তিপূর্ণ ভোট এবং তেজস্বীর অভিযোগ:

যদিও ২০২৫ সালের নির্বাচনে লখিসরাইতে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সিনহার দিকে পাথর ছোড়ার মতো বিচ্ছিন্ন অভিযোগ উঠেছিল, তবুও দু’দফায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে, গতকালই আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব অভিযোগ করেন, “২০২০ সালেও জনমত মহাগঠবন্ধনের পক্ষেই ছিল, কিন্তু কিছু নতজানু অফিসারের কারচুপির ফলে ফলাফল ঘুরে যায়।”

নিয়ম মেনে আজ সকাল ৮টার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং এরপর খোলা হয়েছে ভোটিং মেশিন। গণনা প্রক্রিয়ায় অযথা কোনও দেরি না হলে মোটামুটি ভাবে সকাল ১১টা নাগাদই বিহারের কুর্সি কার দখলে যাচ্ছে, তার প্রাথমিক ট্রেন্ড স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।