বারুইপুরে বাইপাস সংলগ্ন তিনটি কাঠের দোকানে বিধ্বংসী আগুন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি!

বারুইপুর থানার বংশী বটতলা এলাকায় বাইপাস সংলগ্ন তিনটি কাঠের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাত ৩.৩০ মিনিট নাগাদ এই বিধ্বংসী আগুন লাগে। প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডটি ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার কিছুক্ষণ পরেই দোকানের ভেতরে থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। জোরালো আওয়াজে এলাকার মানুষের ঘুম ভেঙে যায় এবং আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। দ্রুত এলাকায় ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বারুইপুর দমকল বাহিনী।
যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ
বারুইপুর দমকল আধিকারিক মিঠুন প্রামানিক জানান, খবর পাওয়ার পর তড়িঘড়ি একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। আদি গঙ্গা থেকে জল তুলে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে দোকানের সামনে থাকা কাঁঠাল গাছের পাতা ও ডালপালা পুড়ে যায়। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে তখনও কিছু ছোট অংশে ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল, যা নেভানোর কাজ চলছিল।
শ্রমিকরা গিয়েছেন বিহারে ভোট দিতে
ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি দোকানের মালিক হলেন আফতাব আনসারী, মোজাফ্ফর আনসারী এবং ইয়াসিন আনসারী। তাঁরা পার্ক সার্কাসের বাসিন্দা। এই দোকানগুলিতে মোট ৪-৫ জন শ্রমিক কাজ করতেন, যারা বর্তমানে বিহারে ভোট দিতে গিয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে অগ্নিকাণ্ডের সময় দোকানে কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
বিধ্বংসী এই অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লক্ষাধিক টাকা। ঘটনার খবর পেয়ে শিখরবালি এক পঞ্চায়েত প্রধান সুজয় সাফুই এবং বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। কীভাবে আগুন লাগল, সেই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছেন দমকল ও পুলিশ আধিকারিকরা।