বিশেষ: গুড় খাঁটি না ভেজাল, চিনবেন কী করে? জেনেনিন বোঝার বিশেষ ট্রিকস

শীতকাল দোরগোড়ায়, আর এই মরসুম মানেই চিনির বদলে গুড় খাওয়ার চল শুরু। গুড়কে অনেকেই চিনির চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর প্রতিস্থাপন হিসেবে বিবেচনা করেন। এটি শুধু মিষ্টির চাহিদা কমায় না, একাধিক উপায়ে স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও সাহায্য করে।

গুড়ের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক, কপার, ফলিক অ্যাসিড এবং বি কমপ্লেক্স ভিটামিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত গুড় খেলে হাড় মজবুত হয়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, গুড়েও চিনি থাকে, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের গুড় খাওয়া উচিত নয়। তবে, যদি তারা একান্তই খেতে চান, তাহলে আদা, তুলসী, বা এলাচের মতো প্রাকৃতিক ভেষজ দিয়ে খুব অল্প পরিমাণে এটি খাওয়া যেতে পারে।

আসল ও নকল গুড় চেনার সহজ উপায়

শীতের মরসুমে বাজারে রকমারি গুড় দেখা গেলেও এর মধ্যে আসল ও নকলের পার্থক্য বোঝা কঠিন। আপনিও না জেনে রাসায়নিক মিশ্রিত গুড় খাচ্ছেন না তো? জেনে নিন কীভাবে খাঁটি গুড় চিনবেন:

১. চকচকে মানেই সন্দেহ: রাসায়নিক দিয়ে তৈরি গুড় অস্বাভাবিকভাবে চকচকে (shiny) হয়। আসলে, গুড় প্রস্তুতকারীরা এটিকে আকর্ষণীয় করতে হাইড্রো সালফাইড নামে একটি রাসায়নিক যোগ করে। বাজারে এই চকচকে গুড়ের চাহিদা বেশি থাকায় এতে বেশি লাভ হয়।

২. খাঁটি গুড় কেমন হয়?: অন্যদিকে, খাঁটি গুড়ের চকচকে ভাব থাকে না। এটিকে সাধারণত ‘মশলাহীন গুড়’ বলা হয়। যদি আপনি শীতকালে গুড় খেতে ভালোবাসেন, তবে বাজারে গিয়ে অবশ্যই এই মশলা ছাড়া গুড় চাইবেন। এটিই বিশুদ্ধ গুড়ের প্রধান চিহ্ন।