‘সংগঠন সৃজন’ মাস্টারক্লাস! হারানো জমি ফিরে পেতে পচমড়িতে রাহুল গান্ধী কী মন্ত্র দেবেন জেলা প্রধানদের?

লোকসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের ২৯টি আসনেই ভরাডুবির পর, কংগ্রেস এখন ২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কোমর বাঁধছে। আর এই ‘মিশন মধ্যপ্রদেশ’-এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বয়ং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সাংগঠনিক কাঠামোকে একেবারে তৃণমূল স্তরে মজবুত করার লক্ষ্যেই রাহুল গান্ধী শনিবার (তারিখ অপ্রাসঙ্গিক, তাই এড়িয়ে যাওয়া হলো) রাজ্যের পার্বত্য পর্যটন কেন্দ্র পচমড়ি সফরে আসছেন।

কংগ্রেসের ‘সংগঠন সৃজন অভিযান’-এর অংশ হিসেবে পচমড়িতে এই মুহূর্তে জেলা সভাপতিদের একটি প্রশিক্ষণ শিবির চলছে। বিহারের প্রচার থেকে ফিরে, এদিন দুপুর ৩:৩০ নাগাদ রাহুল গান্ধী ভোপাল পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে সোজা পচমড়ির উদ্দেশ্যে উড়ে যাবেন। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি জিতু পাটওয়ারি সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, জেলা সভাপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করার পরেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের বিহারের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

উল্লেখ্য, এই বছরের ৩ জুন ভোপালে রাহুল গান্ধীই ‘সংগঠন সৃজন অভিযান’-এর সূচনা করেছিলেন। এরপর আগস্ট মাসে ৭১ জন নতুন জেলা সভাপতি নিয়োগ করা হয়। ২০০৩ সাল থেকে মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতার বাইরে রয়েছে কংগ্রেস, যদিও ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত কমলনাথের নেতৃত্বে ১৫ মাস ক্ষমতায় ছিল তারা। শূন্য থেকে দলকে আবার শীর্ষে তুলে আনার জন্যই এই সাংগঠনিক পুনর্গঠনে বিশেষ জোর দিচ্ছে হাত শিবির।