“তন্দুরি রুটি ১০৫, গুলাব জামুন ৪১০ টাকা”-মৌনির রেস্তোরাঁয় আকাশছোঁয়া খাবারের দাম

বলিউডের গ্ল্যামার জগৎ ছেড়ে এখন অনেক তারকাই ঝুঁকছেন বিকল্প পেশার দিকে। সেই তালিকায় নবতম সংযোজন হলেন বাঙালি কন্যা তথা অভিনেত্রী মৌনী রায়। অভিনয় জীবনের পাশাপাশি মুম্বই ও বেঙ্গালুরুতে নিজস্ব রেস্তোরাঁ খুলে ফেলেছেন তিনি। নামী তারকার রেস্তোরাঁ হওয়ায় সাজসজ্জা নজরকাড়া হলেও, তার খাবারের দাম নিয়েই এখন শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

রেস্তোরাঁটির পরিবেশ বেশ ছিমছাম এবং গাছপালা দিয়ে সাজানো। এখানে মূলত ভারতীয় খাবার-ই পাওয়া যায়। তবে, মেনু কার্ডে চোখ রাখলেই মধ্যবিত্তের খাওয়ার ইচ্ছে উধাও হতে পারে! এক রিপোর্ট অনুযায়ী, মৌনী রায়ের রেস্তোরাঁর খাবারের দামের তালিকা সত্যিই বেশ চড়া।

মৌনীর রেস্তোরাঁর কিছু পদের দাম

 

খাবারের পদ দাম মন্তব্য
শাহী টুকরা ও গুলাব জামুন ৪১০ টাকা সামান্য মিষ্টির দাম শুনে চোখ কপালে ওঠারই কথা।
অ্যাভোকাডো ভেলপুরি ৩৯৫ টাকা সাধারণ ভেলপুরিকে আধুনিক রূপে পেশ করে এই দাম।
মশলা মাখানো বাদাম, মশলা পাঁপড়, পাঁপড়ি চাট ও ক্রিস্পি কর্ন ২৯৫ টাকা স্ন্যাক্স আইটেমগুলির দামও তুলনামূলকভাবে বেশি।
চিংড়ি মাছের আইটেম ৭৯৫ টাকা
তন্দুরি রুটি ১০৫ টাকা সাধারণ তন্দুরি রুটির এই দাম আলোচনা তৈরি করেছে।
নান ১১৫ টাকা
অমৃতসরি কুলচা ১৪৫ টাকা

কেন রেস্তোরাঁ খুললেন মৌনী?

২০২৩ সালে এই রেস্তোরাঁ খোলেন মৌনী রায়। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতীয় খাবারের প্রতি তাঁর বিশেষ ভালোবাসা থেকেই এই উদ্যোগ। অভিনেত্রী বলেন, “আমি ভারতীয় খাবার পছন্দ করি। বিদেশে কাজের গেলেই আমি ভারতীয় খাবারের খোঁজ করি। আমার মনে হয়েছিল, বেঙ্গালুরু ও মুম্বইতে ভারতীয় খাবারের ভালো কোনও রেস্তরাঁ নেই। তাই এমন একটা রেস্তরাঁর কথা ভেবেছিলাম।”

নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

মৌনীর রেস্তোরাঁর খাবারের দাম নিয়ে নেটাগরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। বেশিরভাগের মতে, এই দাম সামান্য বেশি। তবে, এই রেস্তরাঁয় যাঁরা নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাঁরা জানিয়েছেন, গুণমান অনুযায়ী দাম একেবারেই ঠিক আছে

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মৌনী রায়কে ‘সালাকার’ ছবিতে দেখা গিয়েছে। এর আগে ব্লকবাস্টার ছবি ‘ব্রহ্মাস্ত্র’-এ খলচরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।