“মানুষের সচেতন থাকা জরুরি”! বাজি পোড়ানোর সময় কী কী নির্দেশ মানতে বললেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু?

আলোর উৎসব কালীপুজো ও দীপাবলি সহ ছটপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার করার পথে হাঁটল দমকল দফতর। বৃহস্পতিবার বিধাননগরে এক জরুরি বৈঠক শেষে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose) ঘোষণা করেন, উৎসবের দিনগুলিতে রাজ্যে অতিরিক্ত ৫১টি অস্থায়ী ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, “শুধু স্থায়ী ফায়ার স্টেশন নয়, অস্থায়ী স্টেশন ও মোবাইল টিমও মাঠে থাকবে।”
বিশেষ নজরদারি ও টহল:
আগামী ২০ অক্টোবর কালীপুজো। হাতে সময় কম থাকায় কালীপুজোর আগের দিন, অর্থাৎ ১৯ অক্টোবর থেকেই দমকলের বিশেষ দল রাস্তায় নামবে।
বিশেষ নজরদারির ক্ষেত্র: শহরজুড়ে দমকল কর্মীরা টহলে থাকবেন। বিশেষত বাজি বাজার এবং জনবহুল এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি চালানো হবে। কলকাতা ছাড়াও বারাসাত, নৈহাটি ও রাজারহাট এলাকায় বিশেষ নজরদারি থাকবে।
দ্রুত পদক্ষেপ: আগুন লাগলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে মোটরসাইকেল ইউনিটগুলিও ব্যবহার করা হবে। মন্ত্রী বলেন, “অনেক সময় বড় গাড়ি পৌঁছতে দেরি হয়। তাই মোটরসাইকেল টিমগুলি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনবে।”
অন্যান্য উৎসব নিয়ে পরিকল্পনা:
কালীপুজোর পরপরই ছটপুজো ও চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো রয়েছে। সেই উপলক্ষেও বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করেছে দমকল।
ছটপুজো: ছট পুজোর সময় নদীর ঘাটে ঘাটে নজরদারি চলবে। প্রতিটি ক্যাম্পে দমকল কর্মী মোতায়েন থাকবে।
জগদ্ধাত্রী পুজো: চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে সেখানে অতিরিক্ত ফায়ার স্টেশন ও মোবাইল ইউনিট রাখা হবে।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই, দীপাবলি থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত কোনও দুর্ঘটনা না ঘটুক। দমকলের পক্ষ থেকে আমরা প্রস্তুত।” পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষকে খোলা জায়গায় বাজি জ্বালানো এবং শিশুদের একা না রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।