৫ নয়, দুর্গাপুর গণধর্ষণে ধৃত ৬! মেডিক্যাল ছাত্রীর সহপাঠীও গ্রেফতার, ডিএনএ টেস্টে ফাঁস হবে আসল সত্য?

দুর্গাপুরের তরুণী ছাত্রীকে গণধর্ষণ কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া সহপাঠীর পক্ষে আদালতে দাঁড়ালেন না কোনো আইনজীবী। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ওই তরুণটির সপক্ষে আইনি লড়াই লড়তে অস্বীকার করেছেন স্থানীয় আইনজীবীরা। দুর্গাপুর আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবব্রত সাঁই স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এমন জঘন্য অপরাধের ঘটনায় অভিযুক্তের হয়ে আদালতে কেউ সওয়াল করবেন না।
প্রথমে পাঁচজন নয়, দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে বর্তমানে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার সুনীলকুমার চৌধুরী। এরপরই মেডিকেল ছাত্রীকে গণধর্ষণ কাণ্ডে আরও একজনকে পাকড়াও করে পুলিশ। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ষষ্ঠ অভিযুক্ত নির্যাতিতা তরুণীরই সহপাঠী।
ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ কমিশনার সুনীলকুমার চৌধুরী বলেন, “মেডিকেল পড়ুয়াকে গণধর্ষণ কাণ্ডে নির্যাতিতার সহপাঠীরাও সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা যে পোশাক পরেছিল, সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এবং সবার ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, গত শুক্রবার হাসপাতালের তরফে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রথম দফায় চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিবার আরও এক অভিযুক্তকে পাকড়াও করে পুলিশ। ঘটনার তদন্তে নেমে মঙ্গলবার নির্যাতিতার সহপাঠীকেও গ্রেফতার করা হয়, ফলে ধৃতের সংখ্যা এখন ছয়। নির্যাতিতার বন্ধুকে নিয়ে পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী একজনই তাঁকে ধর্ষণ করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তদন্তের কিছু অংশ এখনও বাকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার। বাকি সমস্ত তথ্য নির্যাতিতার মেডিক্যাল ও ফরেন্সিক রিপোর্ট হাতে আসার পরই জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।