বসিরহাটে মিশরীয় সভ্যতার নিখুঁত প্রতিরূপ! ফ্যারাও, মমি আর পিরামিডের টানে উপচে পড়ছে ভিড়

সুদূর মিশরের রহস্যময় পিরামিড আর ফ্যারাওদের জগৎ এবার হাজির হলো উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটেই! বসিরহাটের অন্যতম জনপ্রিয় ঘোষবাড়িতে তৈরি হয়েছে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার নিখুঁত নিদর্শন, যা দেখতে এখন প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।
মিশরে না গিয়েও স্থানীয়দের সামনে এক প্রকার নিখুঁত অবয়বে ফুটে উঠেছে এই ক্ষুদে মিশর জাদুঘর। নিপুণ হাতের কারুকার্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মিশরের ইতিহাস ও সংস্কৃতি।
কী কী আছে এই ‘মিশরীয় জাদুঘরে’?
ঘোষবাড়ির এই প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের চোখে পড়ছে:
পিরামিডের প্রতিরূপ এবং মরুভূমির বালুকাময় পরিবেশের আভাস।
ফ্যারাওদের মূর্তি, তৎকালীন যুগে ব্যবহৃত নানা সামগ্রী, এমনকি চিকিৎসা ব্যবস্থার নমুনা।
বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রাখা হয়েছে রানী ক্লিওপেট্রা ও রাজা তুতেনখামেনের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি।
সবচেয়ে কৌতূহল জাগানো অংশটি হলো মমির প্রতিরূপ, যা দেখে শিহরিত হচ্ছেন দর্শকরা।
শিক্ষার্থী ও সাধারণ জ্ঞানপিপাসুদের জন্য নতুন দিগন্ত
স্থানীয়দের দাবি, ঘোষবাড়ির এই অনন্য উদ্যোগ বসিরহাটকে এক বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিচয় দিয়েছে। যেখানে ইতিহাস, কল্পনা ও শিল্প মিশে গিয়েছে এক অপূর্ব সেতুবন্ধনে। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ জ্ঞানপিপাসু মানুষদের কাছে এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা।
দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হয়ে বলছেন, ‘এ যেন বসিরহাটেই মিশরের সফর!’
আয়োজকদের উদ্যোগে বিশেষ অডিও গাইডও রাখা হয়েছে, যিনি দর্শনার্থীদের মিশরীয় সভ্যতা ও ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিচ্ছেন। এমন অভিনব উদ্যোগকে অনেকেই বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত বলে মনে করছেন।