গোলাপের পাপড়ির জাদু: গুলকন্দ খেলেন তো? ত্বক থেকে হজম— জানুন এই আয়ুর্বেদিক ওষুধের ৭ উপকারিতা

আজকের দিনে ভাজাভুজি ও মশলাদার খাবারের প্রতি ঝোঁক বেশি থাকায় অনেকেই বুকজ্বালা, পেটে অ্যাসিড বৃদ্ধি, ব্লোটিং, টক ঢেকুর এবং অ্যাসিডিটির মতো সমস্যায় ভোগেন। এই ধরনের সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে গোলাপের পাপড়ি থেকে তৈরি ঐতিহ্যবাহী আয়ুর্বেদিক ওষুধ ‘গুলকন্দ’। গুলকন্দের প্রকৃতি ঠান্ডা এবং এটি একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর। এটি সেবনে স্বাস্থ্যের বহু উপকার হয়, বিশেষ করে অ্যাসিডিটির সমস্যায় দারুণ আরাম মেলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গুলকন্দ পিত্ত দোষ কমাতে এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। এটি পেটের তাপ (গরম) কমিয়ে দেয়, ফলে বুকজ্বালা ও অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমে। গুলকন্দ হজমের সঙ্গে সম্পর্কিত কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়, ত্বককে সুস্থ রাখে, হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
অ্যাসিডিটিতে গুলকন্দের ৭টি প্রধান সুবিধা
১. গ্যাস্ট্রাইটিস থেকে মুক্তি: গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যায় গুলকন্দ খুব উপকারী। এটি পেটের ভেতরের স্তর বা লাইনিংয়ের জ্বালা কমায়, আলসারের সমস্যায় আরাম দেয় এবং ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে।
২. পেটকে ঠান্ডা রাখা: গুলকন্দের শীতল প্রকৃতি পিত্ত দোষকে শান্ত করে। এটি অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমাতে সাহায্য করে।
৩. হজমের জন্য উপকারী: কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যার কারণেও অনেক সময় অ্যাসিডিটি হতে পারে। গুলকন্দ হজম প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম বা উৎসেচকগুলিকে বাড়িয়ে তোলে, মলত্যাগ প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
কীভাবে সেবন করবেন?
অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে খাবার খাওয়ার পর ১ থেকে ২ চামচ গুলকন্দ সেবন করা উচিত। এর পাশাপাশি, রাতের বেলা হালকা গরম দুধের সঙ্গেও এটি খাওয়া যেতে পারে।