বিশেষ: দিন দিন কমছে মৌমাছির আয়ু, অস্তিত্ত্ব সংকটের মুখে এবার মানব সভ্যতা!

দেশের এক শহর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে প্রতিদিন হাজারও বাস রওনা দেয়। এমনকি ঢাকা শহরেই ‘পাবলিক ট্রান্সপোর্ট’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া বাসের সংখ্যা কম নয়। এক সময় তো কলকাতা থেকে সরাসরি বাস ছাড়া হতো টেমস তীরবর্তী লন্ডনের উদ্দেশে! তাহলে ভাবুন, বাসের জনপ্রিয়তা কত!

বাসের এই জনপ্রিয়তার ভিড়ে আমরা নিশ্চয়ই জানি যে, এই বাস (Bus) শব্দটি একটি ইংরেজি শব্দ।। আর অধিকাংশ মানুষের কাছে ‘বাস’ নামেই পরিচিত বেশি। বাস শব্দের বাংলা অর্থ অনেকেই জানেন না। যারা জানেন না, তারা এই আর্টিকেলেই জেনে যাবেন। তবে তার আগে বাস সম্পর্কে একটু ‘গসিপ’ করা যাক।

সর্বপ্রথম ১৮২০ সালে ইউরোপের বাস পরিষেবা চালু হয়েছিল, কিন্তু সেটা ছিল ঘোড়ায় টানা বাস। ১৮৩০-এর দশকে বাষ্পচালিত এবং ১৮৮২ সালে বৈদ্যুতিক ট্রলিবাসগুলোর চলাচল শুরু হয়। তারপর থেকেই বাস পরিষেবা ধাপে ধাপে উন্নত হতে শুরু করে। এবার আমরা যদি ‘বাস’ শব্দের ইংরেজি অনুবাদ করি তাহলে দাঁড়াচ্ছে যে সাধারণত যাত্রীদের জন্য এটি একটি নির্দিষ্ট রুটে আসা-যাওয়ার জন্য বড় গাড়ি।

আসল কথায় আসা যাক, বাসের বাংলা শব্দ অনেকেরই অজানা। কারণ যেকোনো লেখার ক্ষেত্রে কিংবা লোকমুখে বাস শব্দটি বেশি প্রচলিত এবং জনপ্রিয়। বাস শব্দের প্রকৃত বাংলায় অনুবাদ হচ্ছে ‘যাত্রীবাহী বড় মোটর গাড়ি’। কিন্তু এই শব্দটি অর্থাৎ বাক্যটির সঙ্গে সাধারণ মানুষ সেভাবে পরিচিত হতে পারেননি।

এমনকি অনেক বুদ্ধিজীবীরাও বাসের বাংলা বলতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই এই পরিষেবা চালু হওয়ার পর থেকে আমাদের কাছে ‘বাস’ কথাটিরই বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। একটি বাস রাস্তায় ৩০টি গাড়ি প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম, বাসগুলো যানজট কমাতে সহায়তা করে।