বেনারস নয়, এবার বর্ধমানেই কাশী বিশ্বনাথের দর্শন! বাজেপ্রতাপপুরের পুজো মণ্ডপে গঙ্গা আরতি করবেন ১২ জন পুরোহিত

দুর্গাপূজার এই দিনগুলিতে আর বেনারস যাওয়ার অপেক্ষা নেই। কারণ, পূর্ব বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুর ট্রাফিক কলোনি বারোয়ারী দুর্গাপূজো কমিটি এবার দর্শকদের জন্য সরাসরি কাশী বিশ্বনাথের আধ্যাত্মিকতা নিয়ে আসছে। প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বাজেটে এবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে তাদের পুজো মণ্ডপ।

তবে শুধু মন্দিরই নয়, দর্শনার্থীরা যাতে সম্পূর্ণ বেনারসের অভিজ্ঞতা পান, তার জন্য মণ্ডপের সামনেই গড়ে তোলা হচ্ছে নমো নমো ঘাট। এই ঘাটেই হবে সন্ধ্যার গঙ্গা আরতি।

বেনারসের ১২ জন পুরোহিত, পাঁচ দিন ধরে আরতি
পুজো কমিটি এই অনন্য অভিজ্ঞতার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে:

গঙ্গা আরতি: চতুর্থী থেকে দশমী পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত্রি ১১টা পর্যন্ত বেনারসের নমো নমো ঘাটের মতোই আরতি করা হবে।

পুরোহিত: মোট ১২ জন পুরোহিত আসছেন বেনারস থেকে। ৬ জন পুরোহিত ৪৫ মিনিট করে পালা করে আরতি করবেন।

পবিত্র গঙ্গাজল: আরতির জন্য ধাত্রীগ্রাম থেকে সংগ্রহ করে আনা হচ্ছে পবিত্র গঙ্গাজল।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিলনক্ষেত্র
বাজেপ্রতাপপুর ট্রাফিক কলোনি বারোয়ারী দুর্গাপূজো কমিটি দীর্ঘদিন ধরেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত।

কমিটির উদ্যোক্তা নরুল আলম বলেন, “বাজেপ্রতাপপুর মানেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পীঠস্থান। সর্বধর্ম সমন্বয়ে এখানে সকলে মিলেমিশে পুজোর আয়োজন করা হয়।”

বর্ধমানের মানুষের জন্য এই পুজো হতে চলেছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। এই মণ্ডপে একবার পা রাখলে দর্শনার্থীরা একই সঙ্গে কাশী বিশ্বনাথ ধামের আধ্যাত্মিকতা এবং গঙ্গা আরতির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।