উৎসবের মরসুমেও বেতন নেই! হরিয়ানায় ৩ মাস ধরে বেতনহীন কলেজের হাজার হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী

উৎসবের মরসুমে গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন হরিয়ানার ৯৭টি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত (এডেড) কলেজের ২৪৬৫ জন শিক্ষক ও কর্মচারী। গত তিন মাস ধরে তাঁদের বেতন বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৬৫ জন শিক্ষক এবং ৮০০ জন অ-শিক্ষক কর্মচারী রয়েছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, যখন সরকার বিধানসভায় বেতন এবং অন্যান্য খাতে বাজেট পাশ করে দিয়েছে, তখন কেন সেই টাকা কর্মীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না?
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই কলেজগুলিতে প্রতি মাসে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা খরচ হয়। এর মধ্যে শিক্ষক ও সকল শ্রেণির কর্মীদের বেতন অন্তর্ভুক্ত। সে হিসেবে তিন মাসের বকেয়া ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বেতন না পাওয়ায় শিক্ষকদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চালানো তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন সামনেই নবরাত্রি এবং তারপর দীপাবলির মতো বড় উৎসব, তাই কর্মীরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কীভাবে সংসার চালাবেন।
সংগঠনের আবেদন
হরিয়ানা কলেজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (HCTA)-এর রাজ্য সভাপতি দয়ানন্দ মালিক এটিকে একটি বড় সমস্যা বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী নায়াব সিং সাইনির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন এবং তাকে একটি চিঠিও লিখেছেন। চিঠিতে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে বছরের পর বছর ধরে ঝুলে থাকা দাবি এবং এখন বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কর্মীরা হতাশ এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
জেলাভিত্তিক তালিকা
হরিয়ানার বিভিন্ন জেলায় সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
কর্ণাল: ৫টি
পানিপথ: ৫টি
জিন্দ: ৩টি
যমুনানগর: ৮টি
কুরুক্ষেত্র: ৭টি
কাইথাল: ৭টি
ফতেহাবাদ: ১টি
সিরসা: ৪টি
হিসার: ৫টি
সোনিপথ: ৮টি
ভিওয়ানি ও চন্ডীগড়: ৮টি
মেওয়াত: ১টি
গুরুগ্রাম: ২টি
ঝজ্জর: ২টি
ফরিদাবাদ ও পালওয়াল: ৫টি
রেওয়াড়ি: ৬টি
রোহতক: ১০টি