দিনে চলত ক্লাস, আর রাত হলেই সরকারি স্কুলে যা ঘটত….., তা জেনে হতবাক অভিভাবকরা

দিনের বেলায় যেখানে ছাত্রছাত্রীদের পাঠশালা, রাত নামতেই সেখানে চলত অশ্লীল কারবার। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বাদামাইল লক্ষ্মী প্রতাপ উচ্চ বিদ্যালয়-এ মধুচক্র চলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিদ্যালয়েরই নৈশ প্রহরী তথা অস্থায়ী কর্মী কানু দেবনাথ। এই ঘটনার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার গভীর রাতে এলাকার কিছু বাসিন্দা একজন মহিলা ও একজন যুবককে স্কুল চত্বরে ঢুকতে দেখেন। তাদের সন্দেহ হলে স্থানীয়রা স্কুলের সামনে জড়ো হন। হৈচৈ শুনে যুবকটি পালিয়ে যায়, কিন্তু মহিলাকে স্কুল প্রাঙ্গণ থেকেই বেরোতে দেখা যায়। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটার বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের উপর প্রশ্ন তোলেন।

বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা ঘটনাটি স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালে, সঙ্গে সঙ্গে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু দেখা যায়, সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। এতে সন্দেহ আরও বাড়ে। এই ঘটনার পরই প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার লাহিড়ী জরুরি বৈঠক ডাকেন এবং নৈশ প্রহরীকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানান, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তকে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হবে। যদিও কানু দেবনাথ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ওই মহিলা তার প্রতিবেশীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন, তাই তিনি গেট খুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয়রা তার এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ এবং তারা এই ঘটনার তদন্ত ও কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন।