ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর স্ত্রী মহিলা না পুরুষ? ফাঁস হবে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং তাঁর স্ত্রী ব্রিজিট ম্যাক্রোঁ মার্কিন ডানপন্থী রাজনৈতিক ভাষ্যকার ক্যান্ডেস ওয়েন্সের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। ওয়েন্স বারবার দাবি করেছেন যে ব্রিজিট একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী। এই অভিযোগ খণ্ডন করতে ম্যাক্রোঁ দম্পতি মার্কিন আদালতে পারিবারিক ছবি এবং বৈজ্ঞানিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে প্রস্তুত। তাঁদের আইনজীবী টম ক্লেয়ার জানিয়েছেন, ৭২ বছর বয়সী ফার্স্ট লেডি ব্রিজিটের বিরুদ্ধে এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং অপমানজনক।

ম্যাক্রোঁ দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বের শিকার। এই মিথ্যা অভিযোগে বারবার বলা হয়েছে যে ব্রিজিট আসলে জিন-মিশেল ট্রোগনেক্স নামে একজন পুরুষ হিসেবে জন্মেছিলেন, যিনি পরে নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করে ব্রিজিট নাম নেন। তবে বাস্তবে জিন-মিশেল হলেন ব্রিজিটের ভাই। এর আগেও গত বছর প্যারিসে ব্রিজিট এই ধরনের ভুয়ো খবর ছড়ানো দুই মহিলার বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় জিতেছিলেন। সেই রায়ে আদালত তাদের জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

আইনজীবী টম ক্লেয়ার বলেন, ‘এটা ভেবেই অবাক লাগে যে একজন মানুষকে নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আদালতে দেখাতে হচ্ছে। কিন্তু এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’ তিনি আরও বলেন, ইমানুয়েল ও ব্রিজিট ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও, বিশ্ব মঞ্চে এই ধরনের মিথ্যাচার তাদের ব্যক্তিগত জীবন এবং মর্যাদার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।