‘সব গাঁজাখোর, মাতাল, চরিত্রহীন,’ যাদবপুর নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও অতিবামেদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সব গাঁজাখোর, মাতাল, চরিত্রহীন। সবগুলো ওখানে রয়েছে।”
গত বৃহস্পতিবার রাতে যাদবপুর ক্যাম্পাসের একটি জলাশয় থেকে ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে। তাই এই বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুরের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বাম ও অতিবামেদের তীব্র কটাক্ষ করেন।
কেন এই আক্রমণ?
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বামফ্রন্ট ও অতিবামেরা যাদবপুরকে নষ্ট করে দিয়েছে। তিনি বলেন, “একটার পর একটা ঘটনা শুধু যাদবপুরেই হয়। বামপন্থীরা যেখানেই থাকে, সেখানেই ঝামেলা হয়। তারা জীবনে কোনোদিন গঠনমূলক কাজ করতে পারেনি, শুধু ধ্বংসাত্মক কাজই করেছে।”
তিনি আরও বলেন, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সব কলেজে ইউনিয়ন রুম বন্ধ করে দেওয়া হলেও যাদবপুরে এসএফআই-এর ছেলেরা তাণ্ডব নৃত্য চালায়। যাদবপুরে রাতে গান-বাজনার কারণে সাউন্ড লেভেল অনেক বেড়ে যায় এবং এদের কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৩৪ বছরে সিপিএমের যে ভূমিকা ছিল, যাদবপুরে আজও সেই ভূমিকা রয়েছে। এই ছেলেরা একেবারেই নিয়ন্ত্রণহীন, এরা কাউকে মানবে না। মাত্র ১০ শতাংশ ছেলের জন্য এত ভালো একটি বিশ্ববিদ্যালয় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”
সিসিটিভি ও নিষিদ্ধ জিনিস নিয়ে অভিযোগ:
সাংসদ অভিযোগ করেন যে, যাদবপুরে অনেক নিষিদ্ধ জিনিস পাওয়া যায় এবং এর জন্য সিপিএম ও এসএফআই-এর লোকেরাই দায়ী। তিনি আরও বলেন, সরকার থেকে হস্টেলে সিসিটিভি বসানো হলেও, সেগুলো তারা খুলে ফেলে দিয়েছে। তার মতে, “সিপিএম মানেই তো সব দুষ্কৃতীবাজদের জায়গা।”