‘মোদীজি আমার অনুপ্রেরণা,’-নেপালের ‘দায়িত্ব’ নেওয়ার আগে ভারতকে পাশে চাইলেন সুশীলা

রক্তক্ষয়ী গণবিক্ষোভের জেরে নেপালের কেপি শর্মা ওলি সরকারের পতনের পর এখন নতুন সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বিক্ষোভকারী Gen Z গোষ্ঠীর দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন করা হবে। এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বাংলাদেশের আদলে নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেতে চলেছেন দেশটির অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি।

আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

একটি সাক্ষাৎকারে সুশীলা কার্কি বলেন, “মোদীজিকে নমস্কার। আমার উপর মোদীজির প্রভাব খুবই ইতিবাচক।” তিনি আরও বলেন যে, তিনি নেপালের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত এবং বিক্ষোভকারী Gen Z গোষ্ঠী তার ওপর আস্থা রেখেছে।

কার্কি জানান, তার প্রাথমিক কর্তব্য হবে আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জন্য কিছু করা। নেপালের পরিস্থিতিতে ভারতের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি ভারতকে ভীষণ সম্মান করি। ভালোবাসি ভারতকে। মোদীজির কাজে আমি অনুপ্রাণিত। ভারত বরাবর নেপালে অনেক সাহায্য করেছে।”

আজ, বৃহস্পতিবার নেপালের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করছেন সুশীলা কার্কি। বৈঠকের পর তারা দুজনই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন, যিনি বর্তমানে জনরোষ থেকে বাঁচতে সেনা ব্যারাকে অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, সুশীলা কার্কি নেপালের ইতিহাসে প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। একসময় সরকারের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব আনা হয়েছিল, যা পরে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়।