নেপালের মতো ভারতেও Gen Z বিক্ষোভের ‘উস্কানি’? জেনেনিন কি বলছে সূত্র

ভারত-নেপাল সীমান্তে চরম সতর্কতা। নেপালে চলমান গণবিক্ষোভের আঁচ যেন ভারতে না আসে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলো। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, এমন কোনো ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ বা উস্কানিমূলক পোস্ট যাতে না ছড়ায়, তা রুখতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। ইন্টেলিজেন্স সূত্রে এমনটাই খবর।
কেন চিন্তিত দিল্লি?
ইন্টেলিজেন্সের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানাচ্ছে, নেপালের প্রতিটি মুহূর্তের আপডেট ট্র্যাক করা হচ্ছে। বিশেষত, সোশ্যাল মিডিয়াতে যেকোনো ধরনের ভারত-বিরোধী আবেগ তৈরি হচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে সজাগ রয়েছেন কর্মকর্তারা। এর কারণ হলো, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর যেভাবে ভারত-বিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, নেপালের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেন-জি বিক্ষোভের প্রভাব
সূত্রের খবর, ইন্টেলিজেন্স অফিসারদের আরও আশঙ্কা, নেপালের এই অস্থিরতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতীয় তরুণদের মধ্যেও বিক্ষোভের জন্ম হতে পারে। সে কারণেই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং সমস্ত ধরনের কার্যকলাপে নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। ভারতের স্থিতাবস্থা যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, তার জন্য সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ভারতীয়দের জন্য বিশেষ নির্দেশনা
এদিকে, নেপালের অশান্ত পরিস্থিতির জেরে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য বিশেষ অ্যাডভাইজরি জারি করেছে বিদেশ মন্ত্রক।
ভ্রমণে সতর্কতা: আপাতত নেপালে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই সেখানে আছেন, তাদের বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হতে বারণ করা হয়েছে।
যোগাযোগ: নেপালে বসবাসকারী ভারতীয়দের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
হেল্পলাইন: আটকে পড়া ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য দুটি জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে:
+৯৭৭ – ৯৮০ ৮৬০ ২৮৮১ (WhatsApp)
+৯৭৭ – ৯৮১ ০৩২ ৬১৩৪ (WhatsApp)
নেপালের চলমান পরিস্থিতিতে ভারতের এই বাড়তি সতর্কতা দেশের নিরাপত্তার প্রতি দিল্লির অঙ্গীকারকেই তুলে ধরে।