রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পাকিস্তানি নোট! সীমান্ত এলাকায় চাঞ্চল্য, চলছে তদন্ত

ভারত-পাক সঙ্ঘাতের আবহের মধ্যেই কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ এলাকা থেকে উদ্ধার হলো পাকিস্তানি নোট, যা নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার রাতে মেখলিগঞ্জের রানীরহাটে একটি দোকানের সামনে এক দোকানদার একশো এবং দশ টাকার দুটি পাকিস্তানি নোট কুড়িয়ে পান। খবরটি জানাজানি হতেই স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের পাশাপাশি উদ্বেগও ছড়িয়ে পড়ে।
কেন এই ঘটনা এত গুরুত্বপূর্ণ?
বিশেষ করে সীমান্ত লাগোয়া এই এলাকায় কীভাবে পাকিস্তানি টাকা এলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় মানি এক্সচেঞ্জ কাউন্টারগুলির ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা পাকিস্তানি টাকা এক্সচেঞ্জ করেন না। তাই এই নোটগুলোর উৎস নিয়ে প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ, এই ঘটনার পিছনে কোনও পাকিস্তানি যোগসূত্র আছে কি না।
আরও এক বাংলাদেশি গ্রেফতার
এদিকে, কোচবিহারে এই ঘটনার পরদিনই কলকাতার হরিদেবপুর থানা এলাকায় এক সন্দেহজনক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের কাছে খবর আসে যে, বারাবাগান এলাকায় একজন বিদেশি ব্যক্তি ঘোরাঘুরি করছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ৫২ বছর বয়সী মোহাম্মদ দাউদ দারিয়াকে আটক করে। তিনি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কাটালিপাড়া থানার মাজবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, প্রায় সাত মাস আগে তিনি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন এবং কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ছাতা মেরামতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। যেহেতু তিনি কোনো বৈধ নথি দেখাতে পারেননি, তাই তার বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্ট-এর ১৪(A)(a) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।