চীনে কিমের স্পর্শ করা জিনিস ঘষে ঘষে পরিষ্কার, কারণ জানলে হবেন অবাক!

চীনের বেইজিংয়ে সামরিক কুচকাওয়াজের পর উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই বৈঠকের পর প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তারক্ষীরা কিমের স্পর্শ করা প্রতিটি জায়গা অতি সতর্কতার সাথে পরিষ্কার করছেন। এই ঘটনার ভিডিওটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
টেলিগ্রামে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, বৈঠকের পর কিম জং উন উঠে যাওয়ার পরই তার নিরাপত্তারক্ষীরা চেয়ারের হাতল, পিঠের অংশ এবং আলোচনার টেবিল এমনভাবে পরিষ্কার করছেন যেন কিমের উপস্থিতির কোনো চিহ্নই না থাকে। এমনকি যে গ্লাসে কিম জল পান করেছিলেন, সেটিও একটি ট্রেতে করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
রুশ সাংবাদিক আলেকজান্ডার ইউনাসেভ তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে বলেছেন, “আলোচনার পর উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে থাকা কর্মীরা কিমের স্পর্শ করা প্রতিটি জিনিস খুব যত্ন সহকারে মুছে ফেলছেন।” বিশ্লেষকদের ধারণা, কিমের ডিএনএ-এর চিহ্ন মুছে ফেলার জন্যই এই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। তবে চীনে গিয়ে কিমের এই অতিসতর্কতার কারণ জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি রাশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী বা চীনের নজরদারির আশঙ্কায় এমনটি করেছেন।
The staff accompanying the North Korean leader meticulously erased all traces of Kim’s presence.
They took the glass he drank from, wiped down the chair’s upholstery, and cleaned the parts of the furniture the Korean leader had touched. pic.twitter.com/JOXVxg04Ym
— Russian Market (@runews) September 3, 2025
ডিএনএ চিহ্ন মুছে ফেলার বিষয়ে সতর্ক থাকা একমাত্র ব্যক্তি কিম জং উন নন। কথিত আছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজেও তার ডিএনএ চুরি ঠেকাতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করেন। জানা যায়, ২০১৭ সাল থেকে তিনি যখনই বিদেশে যান, তার দেহরক্ষীরা তার মল-মূত্র বিশেষ ব্যাগে ভরে সংগ্রহ করে রাশিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাস্কায় পুতিনের বৈঠকের সময়ও একই প্রটোকল অনুসরণ করা হয়েছিল। তখন রুশ নিরাপত্তাকর্মীরা প্রেসিডেন্টের মানববর্জ্য একটি সুটকেসে করে মস্কোয় ফিরিয়ে আনেন।