এবার ট্রাম্পের লক্ষ্যবস্তু ওষুধ শিল্প! যা বাড়িয়ে দিতে পারে কিছু ওষুধের দাম, কত % বাড়ার সম্ভবনা জানুন?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক বিতর্কিত পদক্ষেপ নিচ্ছেন, যা আমেরিকানদের জন্য নিত্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন আদালত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করলেও ট্রাম্প তার অবস্থান থেকে পিছু হটতে রাজি নন। এবার তার লক্ষ্যবস্তুতে এসেছে ওষুধ শিল্প।
আমেরিকানদের উদ্বেগ
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমদানিকৃত ওষুধের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ফলে একদিকে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে এবং অন্যদিকে ওষুধের ঘাটতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। ট্রাম্প প্রশাসন তাদের এই পদক্ষেপকে বৈধতা দিতে ১৯৩২ সালের বাণিজ্য সম্প্রসারণ আইনের ২৩২ ধারা ব্যবহার করছে। তাদের যুক্তি, কোভিড-১৯ এর মতো পরিস্থিতি ভবিষ্যতে এড়াতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানো জরুরি।
সংবাদ সংস্থা এপি (AP) অনুসারে, ট্রাম্প প্রশাসন আমদানিকৃত ওষুধের উপর ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে অটোমোবাইল এবং স্টিল শিল্পের ওপর শুল্ক চাপানোর পর এবার ওষুধ খাতেও তার প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন ট্রাম্প। এর ফলে সেই সমস্ত ওষুধের দাম বাড়তে পারে, যেগুলোর উপর এতদিন কোনো শুল্ক ছিল না। সাধারণ আমেরিকান নাগরিকরা এর ফলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব
হোয়াইট হাউস উচ্চ শুল্ক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় দেড় বছর সময় চেয়েছে। অনেক কোম্পানি ইতিমধ্যেই আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ওষুধের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। জেফরিস-এর বিশ্লেষক ডেভিড উইন্ডলি সতর্ক করেছেন যে এই সিদ্ধান্ত ২০২৬ বা ২০২৭ সালের আগে কার্যকর করা সম্ভব হবে না। তবে স্বল্পমেয়াদে এর ফলে ওষুধের ঘাটতি বাড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে ওষুধের খরচ এবং সরবরাহের ওপর। এই পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে আমেরিকানদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় অনেক বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।