যৌনাঙ্গর দৈর্ঘ্য বাড়াতে গিয়েছিলেন যুবক, ফস করে পুরোটাই কেটে ফেললেন চিকিৎসক! তারপর….

সুস্থ যৌন জীবন একটি সুখী দাম্পত্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, অনেক সময় যৌন শিক্ষার অভাবে পুরুষরা নিজেদের যৌনাঙ্গ নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগেন। এমনই এক হীনম্মন্যতা থেকে পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য বাড়াতে গিয়ে চরম খেসারত দিতে হল এক যুবককে। দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলে ভুল অস্ত্রোপচারের কারণে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তার পুরো যৌনাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
৩৫ বছর বয়সী ওই যুবক পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর জন্য একটি হাসপাতালে যান। সাধারণত এই ধরনের অস্ত্রোপচারে পুরুষাঙ্গ লম্বালম্বিভাবে কেটে তার মধ্যে বিশেষ প্রস্থেটিক পেশী বসানো হয়। কিন্তু ওই যুবকের অভিযোগ, চিকিৎসক ভুলক্রমে তাঁর পুরুষাঙ্গটি আড়াআড়িভাবে গোড়া থেকে কেটে ফেলেন।
এর ফলে যুবকটি শুধু যৌন ক্ষমতা হারাননি, বরং স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব করতেও তার সমস্যা হচ্ছে। নিজেকে সম্পূর্ণ অক্ষম মনে করে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন এবং চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ আনেন।
আদালতে অভিযুক্ত চিকিৎসক আত্মপক্ষ সমর্থন করে দাবি করেন যে, তিনি আগেই রোগীকে অস্ত্রোপচারটির ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে আদালত চিকিৎসকের এই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত ওই চিকিৎসককে ক্ষতিপূরণ বাবদ ১৩ হাজার পাউন্ড (যা ভারতীয় মুদ্রায় ১৩ লক্ষ টাকার বেশি) প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে। তবে, চিকিৎসক এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন।
এই ঘটনাটি একদিকে যেমন চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভুল এবং গাফিলতির ভয়াবহতা তুলে ধরেছে, তেমনই সমাজের মধ্যে যৌন শিক্ষা ও সচেতনতার অভাবকেও সামনে এনেছে। আপনার মতে, এ ধরনের ঘটনা এড়াতে আরও কী ধরনের সচেতনতা তৈরি করা উচিত?