অ্যাম্বুলেন্সে অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, পিছন থেকে এসে জোর ধাক্কা ডাম্পারের! দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, চাঞ্চল্য মালবাজারে

মালবাজার মহকুমার চালসায় একটি অ্যাম্বুলেন্সকে ডাম্পারের ধাক্কা মারার ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে থাকা এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ডাম্পারের চালকও।

সোমবার গভীর রাতে চালসার শালবাড়ি মোড়ে রাজ্য সরকারের ১০২ নম্বর টোল ফ্রি পরিষেবার একটি অ্যাম্বুলেন্সে একটি দ্রুত গতির বালি-পাথর বোঝাই (আরবিএম) ডাম্পার ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডাম্পারের প্রচণ্ড ধাক্কায় অ্যাম্বুলেন্সটির পেছনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা অ্যাম্বুলেন্স থেকে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকা অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে উদ্ধার করে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

দুর্ঘটনার পর ডাম্পারের চালকও স্টিয়ারিংয়ের মধ্যে আটকে পড়েন। মেটেলি থানার পুলিশ, আইসি এবং বিডিও ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর চালককে উদ্ধার করা হয়। এই দুর্ঘটনার কারণে জাতীয় সড়কে অনেকক্ষণ যান চলাচল বন্ধ ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, নদী থেকে বালি-পাথর তোলার নির্দেশ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও রাতে এভাবে ডাম্পারগুলো চলাচল করছে। তারা পুলিশের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই ডাম্পারটি অবৈধভাবে নদী থেকে বালি তুলে পাচার করছিল। একই দিনে সকালে নাগরাঘাটায় একটি পিকআপ ভ্যান দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেটেলি ব্লক এলাকায় ট্রাফিক আইন না মেনে ডাম্পারগুলো বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে, যা প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে।